প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুন ২০২৬
১১ জনকে হত্যা করে বুড়িগঙ্গায় ডুবিয়ে দেওয়া হয়
১১ জনকে হত্যা করে বুড়িগঙ্গায় ডুবিয়ে দেওয়া হয় বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা এম ইলিয়াস আলী গুমের সঙ্গে বরখাস্ত সেনাকর্মকর্তা মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসান প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ছিলেন বলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিয়েছেন এক সাক্ষী।
গুমের ঘটনায় অভিযুক্ত জিয়াউলের একসময়ের দেহরক্ষীর দায়িত্বে থাকা সেনাসদস্য ইমরুল কায়েস রোববার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ আওয়ামী লীগ সরকারের সময় শতাধিক মানুষকে গুম, নির্যাতন ও হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জবানবন্দি দেন। এ সময় জিয়াউল আহসানকে কারাগার থেকে কড়া পুলিশি প্রহরায় ট্রাইব্যুনালের কাঠগড়ায় হাজির করা হয়। ইলিয়াস আলী গুম ও খুনের সময় তিনি র্যাবের গোয়েন্দা শাখার প্রধান ছিলেন।
পরে শেখ হাসিনা সরকারের শেষ দিন পর্যন্ত তিনি ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) মহাপরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন। তার বিরুদ্ধে অসংখ্য মানুষকে গুম, নির্যাতন ও হত্যার অভিযোগ রয়েছে। জবানবন্দিতে ইমরুল কায়েস বলেন, ২০১২ সালের প্রথম দিকে জিয়াউল আহসানের নেতৃত্বে তিনটি মাইক্রোবাসে করে ১১ জনকে নিয়ে পোস্তগোলা আর্মি ক্যাম্পে যাওয়া হয়।
সেখানে তাদের একটি বোটে তোলা হয়। এ সময় একজন পানিতে ঝাঁপ দিলে জিয়াউল আহসানের নির্দেশে তিনি পানিতে নেমে ওই ব্যক্তিকে ধরে আনেন। পরে রশির সাহায্যে তাদের দুজনকে বোটে তোলা হয়। তিনি বলেন, তখন অন্ধকার থাকায় ওই ব্যক্তিকে চিনতে পারেননি। তার বয়স আনুমানিক ২৫ থেকে ২৬ বছর হবে। পরে বোটটি নদীর মাঝখানে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে আগের মতো সিমেন্টের বস্তা বেঁধে মাথায় গুলি করে ১১ জনকে হত্যা করে পানিতে ফেলে দেওয়া হয়।
ইমরুল কায়েসের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই অভিযানে জিয়াউল আহসান, মেজর নওশাদ, স্কোয়াড্রন লিডার সাইফ, কমান্ডার সোহায়েল এবং এডিজি (অপস) মুজিব অংশ নেন। অভিযান শেষে তারা লাইনে ফিরে যান।
সম্পাদক : মোহাম্মাদ আবু বকর সিদ্দিক, নির্বাহী সম্পাদক : নূর হাসান আকাশ , বার্তা সম্পাদক : মেহেদী হাসান তালুকদার , প্রকাশক : মোহাম্মাদ আমিনুল ইসলাম .. বার্তা বাণিজ্য কার্যালয় : ২১৭ ফকিরাপুল প্রথম লেন,আরামবাগ,মতিঝিল । ঢাকা-১০০০। যোগাযোগ: +8801744552281 ইমেইল : newspriyotimes@gmail.com