প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুন ২০২৬
১১ দলীয় জোটে টানাপোড়েন
জোটের সংসদ সদস্যরা কীভাবে সংসদে ভূমিকা রাখবে তার জন্য পার্লামেন্টারি বোর্ড আছে। সেখানে আলোচনা করেই সব বিষয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়; কিন্তু বিল ইস্যুতে এনসিপি আলোচনা ছাড়াই চিঠি জমা দিয়েছে। এতে একসঙ্গে চলার পথে ব্যত্যয় ঘটেছে।
১১ দলীয় জোটের ভেতরে আদর্শিক ও কৌশলগত ফাটল ক্রমেই স্পষ্ট হচ্ছে। জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ‘অনুপ্রবেশকে’ কেন্দ্র করে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন এ জোটে নতুন মেরূকরণ তৈরি হয়েছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন, ‘সংবিধান সংশোধন বিশেষ কমিটি’তে থাকা না থাকা নিয়েও জোটের মধ্যে দূরত্ব বাড়ছে।
এদিকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের দলে যোগদানের ব্যাপারে একটি রূপরেখা তৈরি করেছে এনসিপি।
রূপরেখায় বলা হয়েছে, যারা জুলাই আন্দোলনের বিপক্ষে সক্রিয় ছিল, গণহত্যার মামলার আসামি—এমন কাউকে দলে নেওয়া যাবে না। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনাধারণকারী ক্লিন ইমেজের আওয়ামী লীগের লোকজন শুধু দলে যোগ দিতে পারবে। দলে যোগদান করতে এরই মধ্যে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের বেশ কিছু নেতাকর্মী যোগাযোগ করছে। তবে এনসিপি আওয়ামী লীগের ক্লিন ইমেজের লোকদের প্রাধান্য দেবে।
এনসিপির নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, নিজেদের সাংগঠনিক শক্তির ভিত বাড়াতে তারা মূলত ‘বিফাইন্ড’ আওয়ামী লীগ এবং পদবঞ্চিত-বহিষ্কৃত বিএনপির নেতাকর্মীদের টার্গেট করছে। অন্য দলের নেতাদেরও দলে টানা হবে। দিনাজপুর পার্বতীপুর উপজেলা এনসিপির ঘোষিত ৫১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয় গত বুধবার।
কিন্তু কমিটি গঠনের পর শীর্ষ দুই নেতা আহ্বায়ক প্রকৌশলী শহিদুল ইসলাম ও সদস্য সচিব লোকমান হোসেনসহ (খোকন) অনেকের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠে। পরে সমালোচনার মুখে ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ওই কমিটির কার্যক্রম স্থগিত করে এনসিপি। এর আগে ১৬ এপ্রিল জাতীয় ছাত্রশক্তি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কমিটি ঘোষণা করে এনসিপি।
এতে ১ নম্বর সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদ পান ছাত্রলীগ করা মোহাম্মদ মহিউদ্দিন। তিনি সরকারি বিজ্ঞান কলেজ শাখার ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন। তার নাম ফোরকান মহিউদ্দিন। একইভাবে ২০২৫ সালের ২৮ জুন কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে এনসিপির সমন্বয় কমিটিতে যুগ্ম সমন্বয়কারী পদ পেয়েছেন আসাদুজ্জামান আলী। তিনি কুমারখালী পৌর শাখা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। ২০২৫ সালের ১৬ জুন মাদারীপুর জেলা এনসিপির সমন্বয় কমিটির ১ নম্বর যুগ্ম সমন্বয়কারী হন অমিত হাসান। তিনি আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠন বাংলাদেশ তথ্যপ্রযুক্তি লীগের মাদারীপুর পৌরসভা শাখার সভাপতি এবং বঙ্গবন্ধু শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন। অমিত হাসান নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গেও জড়িত ছিলেন।
একই বছরের ১৭ মে মাদারীপুরের খালিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও টেকেরহাট মৎস্য ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আমিনুল হাওলাদার এবং রাজৈর পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর রাহিম হাওলাদার, আওয়ামী লীগ নেতা জাবের হাওলাদারসহ ২০০ শতাধিক নেতা এনসিপিতে যোগদান করেন। ওই বছরের ২১ জুন দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলা এনসিপির ১৭ সদস্যের সমন্বয়ক কমিটিতে সদস্য পদ পান যুবলীগ নেতা ওমর ফারুক চৌধুরী।
তিনি ইসবপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের বর্তমান কমিটির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন এবং ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে গঠিত ফরিদপুর জেলা এনসিপির ১০১ সদস্যের কমিটিতে ১ নম্বর সদস্য পদ পেয়েছেন জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহমুদা বেগমের মেয়ে সৈয়দা নীলিমা দোলা। তাকে আগে জেলা সমন্বয়ক কমিটির সংগঠক ছিলেন। দোলা জেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোহাম্মদ নাসিরের ভাগ্নি।
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা মোহাম্মদ মনজুর আলম এনসিপিতে যোগ দিতে পারেন বলেও দেশের রাজনীতিতে আলোচনা আছে। এনসিপির মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ গত ১৪ এপ্রিল চট্টগ্রামে মনজুর আলমের বাসায় গিয়ে তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলে এই আলোচনার সূত্রপাত হয়।
জানা গেছে, এনসিপি সম্প্রতি ঢাকা, কুমিল্লা, রাজশাহী ও সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করেছে। তবে চট্টগ্রামে মেয়র প্রার্থী এখনো ঘোষণা করেনি। এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা আছে, সিটি করপোরেশনে নির্বাচনের আগে মনজুর আলম এনসিপিতে যোগদান করতে পারেন। তিনি হতে পারেন মেয়র প্রার্থী।
বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের এনসিপিতে যোগদানের বিষয়ে দলটির নেতারা বলছেন, রাজনীতিতে আগামী দিনে প্রভাব বিস্তার করার লক্ষ্য নিয়ে বিভিন্ন দল ও সামাজিক সংগঠনের বিভিন্ন আদর্শ ও মতের মানুষের সমন্বয়ে একটি নতুন ধারার রাজনীতি দল গড়তে তুলতে চাইছেন তারা। আওয়ামী লীগের উল্লেখযোগ্য কোনো নেতাকর্মী যোগদান করেননি। তার চেয়ে বেশি ফ্যাসিবাদের দোসররা বিএনপিতে আশ্রয় নিয়েছেন।
সামাজিক নেতৃত্বে থাকা লোকজনের পাশাপাশি বিএনপির কিছুসংখ্যক এবং অন্য দলের নেতারা এনসিপিতে যোগ দিচ্ছেন। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের যোগদানের বিষয়ে এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন বলেন, ‘ফৌজদারি মামলা নেই, ফ্যাসিবাদী কার্যক্রম-চাঁদাবাজ-অপরাধের সঙ্গে যুক্ত নেই, এনসিপির গঠনতন্ত্র ও আদর্শ মেনে যে কোনো দলের ক্লিন ইমেজের ব্যক্তি এনসিপিতে যোগদান করতে পারবেন।
এনসিপির মূলনীতি ধারণ করে দলকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে কাজ করবে তাদের দলে নেওয়া হবে।’ ১১ দলীয় জোটের একাধিক নেতা বলছেন, আওয়ামী লীগের দুষ্কৃতকারী, অপরাধী বা নেতাকর্মীদের জুলুম-নির্যাতনকারী দলে ঢুকলে, তা আগামী দিনে ভয়ংকর হতে পারে। তবে ক্লিন ইমেজের নেতা বা সাধারণ সমর্থক দলে এলে কারও আপত্তি নেই। কারণ দেশের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগের একটা প্রভাব রয়েছে। তাদের লোকজন দলে যোগদান করলে দুর্বল হয়ে যাবে আওয়ামী লীগ।
শঙ্কার কথা জানিয়ে কেউ কেউ বলেন, তথ্য পাচারসহ তাদের ভিন্ন কোনো উদ্দেশে আছে সেটাও দেখা উচিত হবে। তাদের কর্মকাণ্ডের সব দায়-দায়িত্ব নিতে হবে দলকে। জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম কালবেলাকে বলেন, ‘অতীতে বিএনপিতে আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মী যোগ দিয়েছেন। এখনো দিচ্ছেন। অনেকে এমপি-মন্ত্রী হয়েছেন। তাই আদর্শ মেনে দলে এলে কোনো সমস্যা নেই। তবে দলে কারা প্রবেশ করছে, তা নিয়ে সতর্ক থাকা জরুরি।’
এ বিষয়ে এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব কালবেলাকে বলেন, ‘নতুন যারা দলে আসছে, তারা আমাদের আলাদা অবজারভেশনে আছেন। তারা তথ্য পাচার করছে কি না, তাদের উদ্দেশ্যে কী সেগুলো বোঝার চেষ্টা করা হচ্ছে।’ নানা ইস্যুতে জোটে দ্বন্দ্ব: সূত্র জানায়, জোট গঠনের ৫ মাসের মধ্যে দলগুলোর মধ্যে নানা টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে। জোটের বেশিরভাগ দলই জামায়াতের সঙ্গে থাকতে চায় না। আবার বের হয়েও যেতে পারছে না। কারণ জুলাই সনদ বাস্তবায়নের বিষয়টি বিএনপি সরকার ভালোভাবে নিচ্ছে না।
শুধু রাজপথের আন্দোলনের জন্য জোট টিকে আছে। আগামী দিনে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে বিএনপি ইতিবাচক পদক্ষেপ নিলে হয়তো এই জোট না থাকার সম্ভাবনা বেশি। এ ছাড়া জোটের কর্মসূচিসহ অন্য সব সিদ্ধান্ত প্রথমে একাই নেয় জামায়াত। পরে তা শরিক ১১ দলের ওপর চাপিয়ে দেয়।
সূত্রমতে, গত ৯ এপ্রিল সংসদ অধিবেশনে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) বিলে পাকিস্তানি বাহিনীর সহযোগী হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর নাম অন্তর্ভুক্ত ছিল। এই বিলে এনসিপির সংসদ সদস্যরা লিখিতভাবে সমর্থন জানালে জামায়াতের সঙ্গে সম্পর্কের দূরত্ব বাড়তে থাকে দলটি। জোটের অভ্যন্তরেও নেতিবাচক ধারণা সৃষ্টি হয়। এ ছাড়া জামায়াতের আপত্তি সত্ত্বেও সারা দেশে ছাত্রশিবিবের নেতাকর্মীদের একটা অংশ এনসিপিতে যোগদান করছে। জামায়াত মনে করে, এখানেও এনসিপি তাদের আপত্তি আমলে নিচ্ছে না।
এ বিষয়ে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেলারেল ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ কালবেলাকে বলেন, ‘জোটের সংসদ সদস্যরা কীভাবে সংসদে ভূমিকা রাখবে তার জন্য পার্লামেন্টারি বোর্ড আছে। সেখানে আলোচনা করেই সব বিষয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়; কিন্তু বিল ইস্যুতে এনসিপি আলোচনা ছাড়াই চিঠি জমা দিয়েছে। এতে একসঙ্গে চলার পথে বত্যয় ঘটেছে।’
এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন বলেন, সংসদে মুক্তিযোদ্ধা বিলে এনসিপির সমর্থন স্বাভাবিক বিষয়। কারণ জুলাই অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সংগঠন হিসেবে যেভাবে গণহত্যা করেছে, তাদের লোকজন সমর্থন দিয়েছে। ঠিক একইভাবে মুক্তিযুদ্ধের সময় তৎকালীন মুসলিম লীগ, জামায়াতে ইসলামী, নেজামে ইসলাম পাকিস্তানিদের সহায়তা করেছে, গণহত্যাকে সমর্থন করেছে।
জোটের একাধিক নেতা বলেন, জোটে জামায়াতের একক কর্তৃত্ব এনসিপিসহ অনেকেই মানতে পারছে না। ফলে প্রতিটি দলের তৃণমূলের সাংগঠনিক অবস্থা ভালো থাকলে হয়তো অনেকে জোট থাকত না। তাই এনসিপি ভবিষ্যতে কথা বিবেচনা করে দল গোছানোর দিকে মনোযোগ দিয়েছে। এনসিপির একাধিক সূত্র জানায়, ভবিষ্যতে জোট না থাকার সম্ভাবনা বেশি। কারণ বিভিন্ন বিষয়ে জামায়াতের সঙ্গে এনসিপির রাজনৈতিক দূরত্ব বাড়ছে।
কয়েকজন বাদে বর্তমানে বেশিরভাগ নেতাই এককভাবে চলতে চান। ফলে ধীরে ধীরে জোট থেকে বেরিয়ে আসার পরিকল্পনা রয়েছে। রাষ্ট্র সংস্কারে গঠিত সরকারের ‘সংবিধান সংশোধন বিশেষ কমিটি’তে থাকতে চায় জামায়াত। এতে এনসিপির আপত্তি রয়েছে।
এ ছাড়া স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এনসিপি জোট রাখার পক্ষে, কিন্তু জামায়াতের আগ্রহ এখানে কম। জামায়াতের সূত্র জানায়, স্থানীয় সরকার নির্বাচন এককভাবে করার পরিকল্পনা আগে থেকেই ছিল। সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে কারও সঙ্গে সমঝোতা করতে রাজি নয় দলটির নীতিনির্ধারকরা। তবে জোটের শরিক দলগুলোর সঙ্গে স্থানীয় নেতারা সমঝোতা করে প্রার্থী দিতে পারে। এতে কোনো আপত্তি নেই। জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম বলেন, ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সব দল একক প্রস্তুতি নিচ্ছে। প্রতিটি দলই সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছে। অতীতে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জোটবদ্ধভাবে হয়নি। কিছু কিছু জায়গায় সমঝোতা হয়েছে। প্রতিটি দল সাংগঠনিকভাবে মজবুত হওয়ার জন্য স্বতন্ত্র। গণতন্ত্র ও দেশের প্রয়োজনে আবার সব দল এক হবে।’
এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব বলেন, ‘জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে জামায়াত ৩০০ আসনে এবং এনসিপি ১২৫ আসনে প্রার্থী দিয়েছিল। তপশিল ঘোষণা ও মনোনয়নপত্র উত্তোলনের আগ পর্যন্ত প্রতিটি দল নিজস্ব প্রচারণা চালাবে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন ১১ দলীয় জোট একসঙ্গে করলে, তা নির্বাচনের তপশিল দেওয়ার আগে আলোচনার মাধ্যমে চূড়ান্ত হতে পারে।’
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জোটের সব দল আলাদাভাবে প্রস্তুতি নেবে। তপশিল ঘোষণার পর সিদ্ধান্ত হবে জোট না এককভাবে করা হবে। এর বাইরে জোটের ফোরামে কোনো আলোচনা হয়নি।’ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমদ আব্দুল কাদের বলেন, ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচনে স্থানীয়ভাবে সমঝোতা হতে পারে। জুলাই সনদ বাস্তবায়নের ঐক্য করা হয়েছে। আন্দোলন যেহেতু আছে, ঐক্য থাকবে।’
জোটে নেই খেলাফত আন্দোলন: ১১ দলীয় জোট থেকে বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন। ফলে ১১ দলীয় ঐক্যে এখন দলের সংখ্যা ১০। জানা গেছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলটি ১০টির মতো আসনে ছাড় চেয়েছিল। কিন্তু তাদের একটি আসনে ছাড় দেওয়া হয়নি। এ ছাড়া ঐক্যবদ্ধভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ অবমূল্যায়ন করার অভিযোগ করেছে দলটি।
বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের নায়েবে আমির মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী বলেন, ‘আমরা তো ১১ দলীয় ঐক্য আর নেই। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমাদের সঙ্গে সমঝোতা না হওয়ায় এককভাবে নির্বাচন করেছি। তাই আমরা আর জামায়াতের সঙ্গে নেই।
সম্পাদক : মোহাম্মাদ আবু বকর সিদ্দিক, নির্বাহী সম্পাদক : নূর হাসান আকাশ , বার্তা সম্পাদক : মেহেদী হাসান তালুকদার , প্রকাশক : মোহাম্মাদ আমিনুল ইসলাম .. বার্তা বাণিজ্য কার্যালয় : ২১৭ ফকিরাপুল প্রথম লেন,আরামবাগ,মতিঝিল । ঢাকা-১০০০। যোগাযোগ: +8801744552281 ইমেইল : newspriyotimes@gmail.com