চিত্রনায়ক সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনায় দীর্ঘদিন ধরে চলা রহস্য ও আইনি প্রক্রিয়াকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে চিত্রনায়িকা শাবনূরের সঙ্গে সালমান শাহর সম্পর্ক নিয়ে অতীতের তদন্তে উঠে আসা তথ্য আবারও আলোচনায় এসেছে। ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ঢাকার ইস্কাটনের বাসায় সালমান শাহর মৃত্যু হয়। তাঁর মৃত্যুকে ঘিরে শুরু থেকেই নানা প্রশ্ন ও বিতর্ক রয়েছে। দীর্ঘ ২৯ বছর পর ২০২৫ সালের অক্টোবরে তাঁর মৃত্যুর ঘটনায় হত্যা মামলা করা হয়। ওই মামলায় সালমানের সাবেক স্ত্রী সামীরা হকসহ মোট ১১ জনকে আসামি করা হয়েছে। তবে বর্তমানে প্রচারিত ‘শাবনূর দ্বিতীয় আসামি’ দাবিটির সঙ্গে মামলার প্রকাশিত আসামি তালিকার মিল পাওয়া যায়নি।
প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, মামলার আসামিদের মধ্যে রয়েছেন সামীরা হক, লতিফা হক লুসি, ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই, অভিনেতা ডন, ডেভিড, জাভেদ, ফারুক, রুবি, আব্দুস ছাত্তার, সাজু ও রেজভি আহমেদ ফরহাদ। অন্যদিকে সালমান শাহর মৃত্যুর আগের সময়ের সঙ্গে শাবনূরের সম্পর্কের বিষয়টি অতীতের তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে এসেছিল। ২০২০ সালে পিবিআইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, শাবনূরের সঙ্গে সালমানের ঘনিষ্ঠতার কারণে তাঁর দাম্পত্য জীবনে বিরোধ তৈরি হয়েছিল এবং এটিকে সালমানের আত্মহত্যার পেছনে উল্লেখ করা পাঁচটি কারণের একটি হিসেবে উল্লেখ করা হয়। তবে পরবর্তী সময়ে সালমান শাহর পরিবার ওই তদন্তের সিদ্ধান্তে সন্তুষ্ট না হয়ে তাঁর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে আরও তদন্তের দাবি করে।
২০২৫ সালে আদালতের নির্দেশে মৃত্যুর ঘটনাটি হত্যা মামলা হিসেবে তদন্তের আওতায় আসে। সর্বশেষ, ২০২৬ সালের ২৩ জুলাই তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা থাকলেও তদন্ত কর্মকর্তা তা জমা দিতে পারেননি। পরে আদালত আগামী ৩০ আগস্টের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নতুন সময়সীমা নির্ধারণ করেন। ফলে সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনায় শেষ পর্যন্ত কী তথ্য তদন্তে উঠে আসে, সেটিই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
শাবনূরকে মামলার আসামি করা হয়েছে—এমন দাবি নিশ্চিতভাবে প্রকাশ করার আগে আদালতের নথি ও তদন্ত কর্মকর্তার আনুষ্ঠানিক তথ্যের অপেক্ষা করা প্রয়োজন। সালমান শাহর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিয়ে বহু বছর ধরে চলা আলোচনা এবার তদন্তের মাধ্যমে নতুন কোনো তথ্যের দিকে যায় কি না, সেদিকেই এখন নজর চলচ্চিত্র অঙ্গন ও তাঁর অসংখ্য ভক্তের।
_1.png)
সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ আগস্ট ২০২৬
চিত্রনায়ক সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনায় দীর্ঘদিন ধরে চলা রহস্য ও আইনি প্রক্রিয়াকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে চিত্রনায়িকা শাবনূরের সঙ্গে সালমান শাহর সম্পর্ক নিয়ে অতীতের তদন্তে উঠে আসা তথ্য আবারও আলোচনায় এসেছে। ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ঢাকার ইস্কাটনের বাসায় সালমান শাহর মৃত্যু হয়। তাঁর মৃত্যুকে ঘিরে শুরু থেকেই নানা প্রশ্ন ও বিতর্ক রয়েছে। দীর্ঘ ২৯ বছর পর ২০২৫ সালের অক্টোবরে তাঁর মৃত্যুর ঘটনায় হত্যা মামলা করা হয়। ওই মামলায় সালমানের সাবেক স্ত্রী সামীরা হকসহ মোট ১১ জনকে আসামি করা হয়েছে। তবে বর্তমানে প্রচারিত ‘শাবনূর দ্বিতীয় আসামি’ দাবিটির সঙ্গে মামলার প্রকাশিত আসামি তালিকার মিল পাওয়া যায়নি।
প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, মামলার আসামিদের মধ্যে রয়েছেন সামীরা হক, লতিফা হক লুসি, ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই, অভিনেতা ডন, ডেভিড, জাভেদ, ফারুক, রুবি, আব্দুস ছাত্তার, সাজু ও রেজভি আহমেদ ফরহাদ। অন্যদিকে সালমান শাহর মৃত্যুর আগের সময়ের সঙ্গে শাবনূরের সম্পর্কের বিষয়টি অতীতের তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে এসেছিল। ২০২০ সালে পিবিআইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, শাবনূরের সঙ্গে সালমানের ঘনিষ্ঠতার কারণে তাঁর দাম্পত্য জীবনে বিরোধ তৈরি হয়েছিল এবং এটিকে সালমানের আত্মহত্যার পেছনে উল্লেখ করা পাঁচটি কারণের একটি হিসেবে উল্লেখ করা হয়। তবে পরবর্তী সময়ে সালমান শাহর পরিবার ওই তদন্তের সিদ্ধান্তে সন্তুষ্ট না হয়ে তাঁর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে আরও তদন্তের দাবি করে।
২০২৫ সালে আদালতের নির্দেশে মৃত্যুর ঘটনাটি হত্যা মামলা হিসেবে তদন্তের আওতায় আসে। সর্বশেষ, ২০২৬ সালের ২৩ জুলাই তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা থাকলেও তদন্ত কর্মকর্তা তা জমা দিতে পারেননি। পরে আদালত আগামী ৩০ আগস্টের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নতুন সময়সীমা নির্ধারণ করেন। ফলে সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনায় শেষ পর্যন্ত কী তথ্য তদন্তে উঠে আসে, সেটিই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
শাবনূরকে মামলার আসামি করা হয়েছে—এমন দাবি নিশ্চিতভাবে প্রকাশ করার আগে আদালতের নথি ও তদন্ত কর্মকর্তার আনুষ্ঠানিক তথ্যের অপেক্ষা করা প্রয়োজন। সালমান শাহর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিয়ে বহু বছর ধরে চলা আলোচনা এবার তদন্তের মাধ্যমে নতুন কোনো তথ্যের দিকে যায় কি না, সেদিকেই এখন নজর চলচ্চিত্র অঙ্গন ও তাঁর অসংখ্য ভক্তের।
_1.png)
আপনার মতামত লিখুন