দৈনিক প্রিয় টাইমস
সর্বশেষ
ছাত্রশিবির নেতাকে গুম করতে চেয়েছিল।ধর্ষণ মামলা সাজানো,তথ্য ফাঁস

ছাত্রশিবির নেতাকে গুম করতে চেয়েছিল।ধর্ষণ মামলা সাজানো,তথ্য ফাঁস

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা মো. জিসান মিয়া অপহৃত না আত্মগোপনে ছিলেন তা নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয় গেছে। গত শুক্রবার রাতে লাকসাম থেকে উদ্ধারের পর জিসান দাবি করেছিলেন, তাকে গাড়িযোগে অপহরণ করা হয়েছিল।  তবে কুমিল্লা জেলা পুলিশ রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, জিসানকে কেউ অপহরণ করেনি, সে স্বেচ্ছায় আত্মগোপন করেছিল। তবে গতকাল রোববার দাউদকান্দি থানার ওসি এম এ বারীর সঙ্গে কথা বলে পাওয়া যায় চাঞ্চল্যকর তথ্য।   ওসি বারী বলেন, ‘বৃহস্পতিবার জিসানের বড় ভাই রাসেল রাফি দাউদকান্দি থানায় নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। এরপর আমরা অনুসন্ধান শুরু করি। জিসানের মোবাইল নম্বর ট্র্যাকিং করে জানতে পারি লিজা আক্তার নামে এক মেয়ের সঙ্গে তার কয়েক মাস ধরে কথোপকথন চলছে। এই সূত্রে শুক্রবার সন্ধ্যায় বাবার বাড়ি থেকে লিজাকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে আসি।’ পুলিশ হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদে লিজা জানান, তার সঙ্গে জিসানের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ছিল। বিয়ের দিন-তারিখ ধার্য করেও সে উধাও হয়ে যায় । বিয়ে না করে উল্টো অপহরণের নাটক করে জিসান। এজন্য ১৩ জুন রাত ১২টা ১০ মিনিটে জিসানের নামে ধর্ষণের মামলা করেন লিজা। ওই নারী যদি আসলেই ভিকটিম হয়ে থাকেন, তাহলে তিনি জিসান উদ্ধার হওয়ার আগেই কেন মামলা করলেন না? উদ্ধার হওয়ার পরেই কেন মামলা করতে হলো—এ বিষয়ে জানতে চাইলে ওসি বারী বলেন, ‘জিসানকে অপহরণের অভিযোগ পাওয়ার পর আমরা যখন উদ্ধারকাজে মাঠে নামি, তখন লিজার সঙ্গে জিসানের প্রেমের সম্পর্কের বিষয়টা সামনে চলে আসে। লিজা মনে করেছে, অপহরণের ঘটনায় তাকে জড়ানো হবে, এ মামলায় সে আসামি হতে পারে। এজন্যই সে জিসানের বিরুদ্ধে মামলা করে।’ থানায় জিডির পর মুক্তিপণ চাওয়া নম্বরটি ট্র‍্যাকিং করে লোকেশন দেখা হয়েছে কি না, পুলিশ সেই নম্বরের সূত্র ধরে সংশ্লিষ্টদের ধরছে না কেন—এ বিষয়ে জানতে চাইলে ওসি বারী বলেন, ‘জিসানের সঙ্গে লিজার কথোপকথনের রেকর্ড পাওয়ার পর ওদিকে আমরা দৃষ্টি দেইনি।’ লিজা ও তার বাবা-মাকে ডিবি পুলিশের হেফাজতে রাখার কারণ কী? এ বিষয়ে ওসি বলেন, ‘লিজা এই মুহূর্তে তার বাবার বাড়িতে আছে। ইচ্ছা করলে তার সঙ্গে আপনারা কথা বলতে পারেন।’ জিসানকে গণমাধ্যমের সামনে কথা বলতে দেওয়া হচ্ছে না কেন—এ বিষয়ে তিনি বলেন, লিজার করা মামলায় জিসান পুলিশ হেফাজতে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজে চিকিৎসা নিচ্ছে। চিকিৎসক ছাড়পত্র দেওয়ার পর জিসানকে আদালতে তোলা হবে। বিষয়টি তদন্ত চলছে। এই মুহূর্তে সবকিছু বলা যাবে না। জিসান ইস্যুতে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক এস এম ফরহাদ বলেন, গত শুক্রবার রাতে পুলিশ জিসানকে উদ্ধার করার পর থেকে শনিবার দুপুর দেড়টা পর্যন্ত ছাত্রশিবিরের কোনো প্রতিনিধিদল কিংবা জিসানের পরিবারের সদস্যদের তার সঙ্গে কথা বলার সুযোগ দেয়নি প্রশাসন। এখনো জিসান পুলিশের জিম্মায় রয়েছে। ফলে নিখোঁজসংক্রান্ত তার বিস্তারিত বক্তব্য জানার সুযোগ আমরা পাইনি। তাই নিখোঁজ কিংবা অপহরণের বিষয়ে পুলিশের বক্তব্য ছাড়া দ্বিতীয় কোনো সোর্স এখন পর্যন্ত আমাদের কাছে নেই। তিনি আরো বলেন, জিসানের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরকারী বিধবা নারী লিজার বড় বোন জানিয়েছেন, শুক্রবার সন্ধ্যায় ১৫-২০ জন পুলিশ বা প্রশাসনের লোক তাদের বাড়ি থেকে লিজাকে নিয়ে যায়। এ সময় পরিবারের অন্য সদস্যদের তার সঙ্গে যেতে দেওয়া হয়নি। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, লিজা ও তার বাবাকে এখনো পুলিশের জিম্মায় রাখা হয়েছে এবং তাদের সঙ্গে কোনো ধরনের যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। শান্তিচুক্তি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা, ১৯ জুন চুক্তি সইশান্তিচুক্তি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা, ১৯ জুন চুক্তি সই লিজার বড় বোন সাবিকুন্নাহার জানান, বাড়ি থেকে পুলিশ নিয়ে যাওয়ার সময় থেকে শুরু করে থানায় নেওয়া, মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া এবং বর্তমান পরিস্থিতি—কোনো বিষয় সম্পর্কেই তিনি বিস্তারিত অবগত নন। কারণ তিনি বা তার পরিবারের সদস্যরা পুলিশের জিম্মায় থাকা তার বোন লিজা ও তার বাবার সঙ্গে কোনো প্রকার যোগাযোগ করতে পারেননি।  তবে তিনি জিসান ও লিজার প্রেমের সম্পর্কের ব্যাপারে আগে থেকেই অবগত বলে জানান। ছাত্রশিবির নেতা ফরহাদ বলেন, সংশ্লিষ্ট কোনো পক্ষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করতে না পারায় এখন পর্যন্ত আমরা নিখোঁজ ঘটনার প্রকৃত রহস্য বা বাস্তবতা উদ্ঘাটন করতে সক্ষম হইনি। তবে প্রেমের সম্পর্ক প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় সাংগঠনিক নিয়ম অনুযায়ী তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার আরো তিন জিসান ছাড়াও মামলায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।  তারা হলেন সেকান্দর আলী (২৪), গোলাম রাব্বী (২৬) ও সজীব হাসান (২১)। তাদের সবার বাড়ি দাউদকান্দিতে। জিসানের চিকিৎসায় মেডিকেল বোর্ড এদিকে জিসানের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে জানতে চার সদস্যের মেডিকেল বোর্ড গঠন করেছে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। গতকাল রোববার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মোহাম্মদ শাহজাহান। তিনি বলেন, মেডিকেল বোর্ডের প্রধান করা হয়েছে হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের বিভাগীয় প্রধানকে। বাকি তিনজন চিকিৎসক হাসপাতালের অ্যানেসথেসিয়া বিভাগ, নিউরো মেডিসিন বিভাগ ও মনোরোগবিদ্যা বিভাগের। এই কর্মকর্তা জানান, সোমবার বেলা ১১টার দিকে চার সদস্যের মেডিকেল বোর্ডের চিকিৎসকরা জিসান মিয়ার অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে তাদের মতামত জানাবেন। তিনি সুস্থ হলে তাকে ছাড়পত্র দেওয়া হবে। আর অসুস্থ হলে তাকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হবে। এখন পর্যন্ত করা সব পরীক্ষা-নিরীক্ষায় তার কোনো সমস্যা পাওয়া যায়নি। এদিকে ভুক্তভোগী নারী লিজার স্বাস্থ্যপরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে বলে তিনি জানান। ভুক্তভোগী লিজার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পাঁচ-ছয় মাস আগে ফেসবুকের মাধ্যমে বিধবা লিজা আক্তারের (২৫) সঙ্গে জিসানের পরিচয় হয়। এর সূত্র ধরে তাদের মধ্যে মোবাইল ফোনে কথাবার্তা শুরু হয় এবং প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত ২০ মে দাউদকান্দিতে ভাড়া বাসায় নিয়ে লিজাকে ধর্ষণ করে জিসান। এরপর বিভিন্ন সময় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে লিজাকে ধর্ষণ করে জিসান। এতে সে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। পরবর্তী সময়ে জিসান ভিকটিম লিজাকে জোরপূর্বক বাচ্চা নষ্ট করার জন্য চাপ সৃষ্টি করতে থাকে এবং বাচ্চা নষ্ট না করলে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। একপর্যায়ে লিজা জীবনের ভয়ে বাচ্চা নষ্ট করতে রাজি হয়। এরপর জিসান তার বন্ধু সেকান্দার আলীর ওষুধের দোকান থেকে বাচ্চা নষ্ট করার ট্যাবলেট কিনে লিজাকে খাওয়ায়। ওষুধ খাওয়ার দুই-তিন দিন পর ভুক্তভোগীর প্রচণ্ড রক্তক্ষরণ শুরু হলে জিসানকে বিষয়টি জানায়। তখন জিসান তার চাচাত ভাই সজিবের মাধ্যমে পুনরায় ফার্মেসি থেকে ওষুধ সংগ্রহ করে লিজার বাড়িতে পৌঁছে দেয়। রক্তক্ষরণ বন্ধ হলে ভিকটিম লিজা বিয়ের জন্য তাকে চাপ সৃষ্টি করে। একপর্যায়ে ১২ জুন বিয়ে করতে সম্মতি জানায় সে। বিয়ে না করার টালবাহানায় ১১ জুন রাত আটটার পরপর জিসান নিজেই আত্মগোপনে চলে যায়।‌ দাউদকান্দির মারুকা ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ইদ্রিস মিয়া আমার দেশকে বলেন, শুক্রবার সন্ধ্যার পর ডিবি ও মহিলা পুলিশ লিজাকে ধরে নিয়ে যায়। কোথায় নিয়ে গেছে এ বিষয়ে আমরা কিছুই জানি না। এ বিষয়ে জানতে লিজার মোবাইল ফোনে একাধিকবার ফোন করা হলেও ফোন ধরেননি। তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তারা এড়িয়ে যান। ভুক্তভোগী লিজার মেডিকেল চেকআপ করা হয়েছে কিনা? ওই নারী যদি আসলেই ভিকটিম হয়ে থাকে তবে জিসান উদ্ধার হওয়ার আগেই কেন সে মামলা করল না— এ বিষয়ে জানতে চাইলে কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান হোয়াটসঅ্যাপে খুদেবার্তা পাঠিয়ে জানান, তিনি মিটিংয়ে আছেন। এর আগে ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা মো. জিসান মিয়া প্রধানকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। প্রেমের সম্পর্ক প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় শনিবার এ সিদ্ধান্তের কথা জানায় সংগঠনটি।
৯ ঘন্টা আগে

বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা থেকে বাদ যাচ্ছেন যারা নাম সহ লিস্ট দেখে নিন।

বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা থেকে বাদ যাচ্ছেন যারা নাম সহ লিস্ট দেখে নিন।

বিএনপির একক প্রার্থী বাছাই চূড়ান্ত,যারা পেলেন চুড়ান্ত মনোনয়ন।

বিএনপির একক প্রার্থী বাছাই চূড়ান্ত,যারা পেলেন চুড়ান্ত মনোনয়ন।

৩০০ আসনে জামায়াতসহ ৮ দলের চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা

৩০০ আসনে জামায়াতসহ ৮ দলের চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা

৩০০ আসনে জামায়াতসহ ৮ দলের চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা, দেখে নিন

৩০০ আসনে জামায়াতসহ ৮ দলের চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা, দেখে নিন

শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা দেয়া বিচারপতির পরিচয় জেনে নিন

শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা দেয়া বিচারপতির পরিচয় জেনে নিন

উপদেষ্টা পরিষদে রদবদল,দেখে নিন

উপদেষ্টা পরিষদে রদবদল,দেখে নিন

বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা থেকে বাদ যাচ্ছেন যারা নাম সহ লিস্ট দেখে নিন।

বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা থেকে বাদ যাচ্ছেন যারা নাম সহ লিস্ট দেখে নিন।

যে মাস থেকে নতুন পে স্কেল কার্যকর হবে, জানালেন অর্থ উপদেষ্টা

যে মাস থেকে নতুন পে স্কেল কার্যকর হবে, জানালেন অর্থ উপদেষ্টা

দুই-তৃতীয়াংশ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত বিএনপির দেখে নিন লিস্ট সহ

দুই-তৃতীয়াংশ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত বিএনপির দেখে নিন লিস্ট সহ

ব্রেকিং নিউজঃ সংসদ নির্বাচনে ৮ বিভাগের মনোনয়ন চূড়ান্ত লিস্টসহ দেখে নিন

ব্রেকিং নিউজঃ সংসদ নির্বাচনে ৮ বিভাগের মনোনয়ন চূড়ান্ত লিস্টসহ দেখে নিন

অজুর পর মূত্র ফোঁটা বেরিয়েছে মনে হলে যা করবেন, জেনে নিন শরিয়তের স্পষ্ট নির্দেশনা

অজুর পর মূত্র ফোঁটা বেরিয়েছে মনে হলে যা করবেন, জেনে নিন শরিয়তের স্পষ্ট নির্দেশনা!  অনেক মুসল্লিরই এক সাধারণ কিন্তু দুশ্চিন্তাজনক সমস্যা হলো— প্রস্রাব করার পর ভালোভাবে ঢিলা ব্যবহার করেও বারবার মনে হয়, যেন মূত্রফোঁটা বের হয়েছে! বিশেষ করে নামাজের সময় রুকু বা সিজদায় গেলে এই অনুভূতি আরও তীব্র হয়। তখন প্রশ্ন ওঠে— এই অবস্থায় নামাজ হবে কি না? নামাজ ভেঙে যাবে কি? আসুন জেনে নিই ইসলামি শরিয়তের আলোকে এর সুস্পষ্ট সমাধান— ►►করণীয় কী?আপনি যদি উত্তমভাবে পবিত্রতা অর্জনের পরও বারবার এমন সন্দেহ অনুভব করেন, তবে শরিয়তের নির্দেশনা হলো: ওযু করার পর লজ্জাস্থানে কিছু পানি ছিটিয়ে দিন তারপর আর্দ্রতা অনুভব হলেও সেটাকে আপনার ছিটানো পানি মনে করবেন বারবার যাচাই করতে যাবেন না নামাজের সময় মূত্রফোঁটার সন্দেহে ভ্রুক্ষেপ করবেন না হাদিসের দলিল আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন: “যখন এক ব্যক্তি তার এই সমস্যার কথা জানাল, তিনি বললেন— ‘তুমি ওযু করার পর তোমার লজ্জাস্থানে পানি ছিটিয়ে নেবে। অতঃপর যদি আর্দ্রতা অনুভব হয়, তবে সেটাকে তোমার ছিটানো পানির আর্দ্রতা মনে করবে।’” এমন সমাবেশ ‘অবিশ্বাস্য’:হান্নান মাসউদ [মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক, হাদিস: ৫৮৩] তাহলে নামাজ ভাঙবে কি? না, শুধু সন্দেহ বা ওয়াসওয়াসা (অমূলক ধারণা) হলে নামাজ ভাঙবে না নিশ্চিতভাবে কিছু বের হওয়ার প্রমাণ না থাকলে ওযু ভঙ্গ হবে না ওয়াসওয়াসাকে গুরুত্ব না দিয়ে নামাজ চালিয়ে যান— এটাই শরিয়তের নির্দেশ প্রামাণ্য বইগুলো যেখান থেকে এই মাসআলা এসেছে: মুসান্নাফে আব্দুর রাযযাক (৫৯৫) কিতাবুল আছল (১/৫৩) খুলাসাতুল ফাতাওয়া (১/১৮) আল-মুহিতুল বুরহানি (১/২১৮, ২৬৯) বাদায়িউস সানায়ি (১/১৪০) ফাতাওয়া হিন্দিয়া (১/৯) বিশেষ সতর্কতা: যেকোনো সন্দেহ বা ওয়াসওয়াসা শয়তানের পক্ষ থেকে হতে পারে। ইসলাম আমাদের শেখায়— অযথা সন্দেহে নামাজ বা ইবাদত নষ্ট না করে, বরং পরিষ্কার নিয়ম মেনে চলা উচিত। শান্ত মন, পবিত্র দেহ আর দৃঢ় বিশ্বাস নিয়ে নামাজ আদায় করুন ইসলাম কখনো আপনাকে কষ্ট দিতে নয়, বরং স্বস্তি দিতেই নির্দেশনা দেয়।

অজুর পর মূত্র ফোঁটা বেরিয়েছে মনে হলে যা করবেন, জেনে নিন শরিয়তের স্পষ্ট নির্দেশনা
২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১১:০৭ পিএম
শতাধিক প্রতিনিধি নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের জাতিসংঘে অংশগ্রহণকে আওয়ামী লীগ শাসনামলের বিব্রতকর চর্চার পুনরাবৃত্তি বলে আখ্যায়িত করেছে টিআইবি। আপনিও কি এমনটি মনে করেন?

শতাধিক প্রতিনিধি নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের জাতিসংঘে অংশগ্রহণকে আওয়ামী লীগ শাসনামলের বিব্রতকর চর্চার পুনরাবৃত্তি বলে আখ্যায়িত করেছে টিআইবি। আপনিও কি এমনটি মনে করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন