ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের গজারিয়া সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনে সড়ক দুর্ঘটনায় শ্রাবন্তী আক্তার নামে এ শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে।
শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শ্রাবন্তী সকালে স্কুলে যাওয়ার জন্য রাস্তা পার হচ্ছিলেন। এ সময় স্টার লাইন পরিবহনের একটি দ্রুতগতির বাস তাকে চাপা দেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নিহত শ্রাবন্তী গজারিয়া সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। তার বাড়ি চর বাউশিয়া গ্রামে। দুর্ঘটনার পর বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ক্ষুব্ধ হয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন শুরু করেন। এতে মহাসড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। শিক্ষার্থীরা নিরাপদ পারাপারের ব্যবস্থা এবং দায়ী চালকের শাস্তি দাবি জানায়।
এ বিষয়ে পুলিশ জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে যাই। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে। বাসটি জব্দ করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
স্থানীয় অভিভাবক ও সাধারণ মানুষ বলেন, মহাসড়ক ঘেঁষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থাকলেও নিরাপদে সড়ক পারাপারের কোনো ব্যবস্থা নেই। দ্রুত ফুটওভার ব্রিজ বা স্পিডব্রেকার স্থাপনের দাবি জানান তারা।
.png)
রোববার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের গজারিয়া সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনে সড়ক দুর্ঘটনায় শ্রাবন্তী আক্তার নামে এ শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে।
শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শ্রাবন্তী সকালে স্কুলে যাওয়ার জন্য রাস্তা পার হচ্ছিলেন। এ সময় স্টার লাইন পরিবহনের একটি দ্রুতগতির বাস তাকে চাপা দেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নিহত শ্রাবন্তী গজারিয়া সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। তার বাড়ি চর বাউশিয়া গ্রামে। দুর্ঘটনার পর বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ক্ষুব্ধ হয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন শুরু করেন। এতে মহাসড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। শিক্ষার্থীরা নিরাপদ পারাপারের ব্যবস্থা এবং দায়ী চালকের শাস্তি দাবি জানায়।
এ বিষয়ে পুলিশ জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে যাই। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে। বাসটি জব্দ করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
স্থানীয় অভিভাবক ও সাধারণ মানুষ বলেন, মহাসড়ক ঘেঁষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থাকলেও নিরাপদে সড়ক পারাপারের কোনো ব্যবস্থা নেই। দ্রুত ফুটওভার ব্রিজ বা স্পিডব্রেকার স্থাপনের দাবি জানান তারা।
.png)
আপনার মতামত লিখুন