কদিন আগেই ৬১ বছর বয়সে সন্তানের বাবা হলেন নগর বাউল খ্যাত জেমস। খবরটি জানার পর অনেকের মনেই প্রশ্ন জেগেছে এই বয়সেও কি সত্যি বাবা হওয়া যায়? একজন পুরুষ কত বছর বয়স পর্যন্ত সন্তানের জনক হতে পারেন? নারীদের ক্ষেত্রে বিষয়টি অনেকটাই স্পষ্ট।
সাধারণত ৪৫ থেকে ৫৫ বছর বয়সের মধ্যে নারীদের মেনোপজ হয়। এই সময় ধীরে ধীরে ডিম্বাশয় কাজ করা বন্ধ করে দেয়। ফলে নারীদের ‘ইস্ট্রোজেন’ ও ‘প্রজেস্টেরন’ হরমোন কমে যায়। এরপর পিরিয়ড বন্ধ হয় এবং প্রজনন ক্ষমতা শেষ হয়ে যায়। কিন্তু পুরুষদের ক্ষেত্রে বিষয়টা আলাদা।
তাদের শরীরেও বয়স বাড়ার সঙ্গে টেস্টোস্টেরনের পরিবর্তন আসে। কিন্তু সেটা অনেক ধীরে।
চিকিৎসাবিজ্ঞানে এই সময়টাকে কেউ বলেন ‘অ্যান্ড্রোপজ’, আবার কেউ বলে ‘লেট অনসেট হাইপোগোনাডিজম’। এই হরমোনই পুরুষের যৌন সক্ষমতা ও শুক্রাণু উৎপাদনের সঙ্গে জড়িত। তাই টেস্টোস্টেরন কমে গেলে স্বাভাবিকভাবেই প্রজনন ক্ষমতা কিছুটা হ্রাস পায়। তবে এটি নারীদের মতো হঠাৎ বন্ধ হয় না।
বিশেষজ্ঞদের তথ্য মতে, অনেক পুরুষের ক্ষেত্রে ৪৫ থেকে ৫০ বছর বয়স থেকেই টেস্টোস্টেরন হরমোনের মাত্রা কমে যেতে শুরু করে। বিশেষ করে যাদের ওজন বেশি, অনিয়মিত জীবনযাপন করেন তাদের ক্ষেত্রে এই পরিবর্তনটা আগে দেখা দেয়।
তবে বেশিরভাগ পুরুষের ক্ষেত্রে তা লক্ষণ ধরা পড়ে ৭০ বছর পেরোনোর পর। তবুও এমন নয় যে বয়স বাড়লেই সন্তান জন্ম দেওয়ার ক্ষমতা একেবারে শেষ হয়ে যায়। যদি কেউ শারীরিকভাবে সুস্থ থাকেন, নিয়মিত ব্যায়াম করেন, স্বাস্থ্যকর খাবার খান, এবং মানসিকভাবে সতেজ থাকেন ৭০ কিংবা ৮০ বছর বয়সেও বাবা হওয়া সম্ভব।
এমন অনেক উদাহরণ আছে। যেমন- হলিউড তারকা আল পাচিনো ৮৩ বছর বয়সে চতুর্থ সন্তানের বাবা হয়েছেন। তার আগে অভিনেতা রবার্ট ডি নিরো-ও ৭৯ বছর বয়সে নবজাতক সন্তানের মুখ দেখেছেন।
অর্থাৎ, বয়স সব সময় বাধার কারণ নয়। গুরুত্বপূর্ণ হলো শরীরের ফিটনেস, নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, মানসিক ভারসাম্য এবং সঠিক জীবনযাপন।
.png)
সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ অক্টোবর ২০২৫
কদিন আগেই ৬১ বছর বয়সে সন্তানের বাবা হলেন নগর বাউল খ্যাত জেমস। খবরটি জানার পর অনেকের মনেই প্রশ্ন জেগেছে এই বয়সেও কি সত্যি বাবা হওয়া যায়? একজন পুরুষ কত বছর বয়স পর্যন্ত সন্তানের জনক হতে পারেন? নারীদের ক্ষেত্রে বিষয়টি অনেকটাই স্পষ্ট।
সাধারণত ৪৫ থেকে ৫৫ বছর বয়সের মধ্যে নারীদের মেনোপজ হয়। এই সময় ধীরে ধীরে ডিম্বাশয় কাজ করা বন্ধ করে দেয়। ফলে নারীদের ‘ইস্ট্রোজেন’ ও ‘প্রজেস্টেরন’ হরমোন কমে যায়। এরপর পিরিয়ড বন্ধ হয় এবং প্রজনন ক্ষমতা শেষ হয়ে যায়। কিন্তু পুরুষদের ক্ষেত্রে বিষয়টা আলাদা।
তাদের শরীরেও বয়স বাড়ার সঙ্গে টেস্টোস্টেরনের পরিবর্তন আসে। কিন্তু সেটা অনেক ধীরে।
চিকিৎসাবিজ্ঞানে এই সময়টাকে কেউ বলেন ‘অ্যান্ড্রোপজ’, আবার কেউ বলে ‘লেট অনসেট হাইপোগোনাডিজম’। এই হরমোনই পুরুষের যৌন সক্ষমতা ও শুক্রাণু উৎপাদনের সঙ্গে জড়িত। তাই টেস্টোস্টেরন কমে গেলে স্বাভাবিকভাবেই প্রজনন ক্ষমতা কিছুটা হ্রাস পায়। তবে এটি নারীদের মতো হঠাৎ বন্ধ হয় না।
বিশেষজ্ঞদের তথ্য মতে, অনেক পুরুষের ক্ষেত্রে ৪৫ থেকে ৫০ বছর বয়স থেকেই টেস্টোস্টেরন হরমোনের মাত্রা কমে যেতে শুরু করে। বিশেষ করে যাদের ওজন বেশি, অনিয়মিত জীবনযাপন করেন তাদের ক্ষেত্রে এই পরিবর্তনটা আগে দেখা দেয়।
তবে বেশিরভাগ পুরুষের ক্ষেত্রে তা লক্ষণ ধরা পড়ে ৭০ বছর পেরোনোর পর। তবুও এমন নয় যে বয়স বাড়লেই সন্তান জন্ম দেওয়ার ক্ষমতা একেবারে শেষ হয়ে যায়। যদি কেউ শারীরিকভাবে সুস্থ থাকেন, নিয়মিত ব্যায়াম করেন, স্বাস্থ্যকর খাবার খান, এবং মানসিকভাবে সতেজ থাকেন ৭০ কিংবা ৮০ বছর বয়সেও বাবা হওয়া সম্ভব।
এমন অনেক উদাহরণ আছে। যেমন- হলিউড তারকা আল পাচিনো ৮৩ বছর বয়সে চতুর্থ সন্তানের বাবা হয়েছেন। তার আগে অভিনেতা রবার্ট ডি নিরো-ও ৭৯ বছর বয়সে নবজাতক সন্তানের মুখ দেখেছেন।
অর্থাৎ, বয়স সব সময় বাধার কারণ নয়। গুরুত্বপূর্ণ হলো শরীরের ফিটনেস, নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, মানসিক ভারসাম্য এবং সঠিক জীবনযাপন।
.png)
আপনার মতামত লিখুন