ইরানের নতুন সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা মোজতবা খামেনির শারীরিক অবস্থা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে এসেছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, তিনি বর্তমানে ইরানের কোম শহরে চিকিৎসাধীন। ‘দ্য টাইমস’-এর এক প্রতিবেদনের বরাতে এনডিটিভি জানায়, মোজতবা খামেনির শারীরিক অবস্থা গুরুতর। ৫৬ বছর বয়সী এই নেতা বর্তমানে অচেতন অবস্থায় আছেন। সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর এই প্রথম মোজতবার অবস্থান সম্পর্কে জানা গেল। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কোম শহরটি ইরানের রাজধানী তেহরান থেকে ১৪০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত। এটি শিয়া মুসলিমদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র শহর হিসেবে বিবেচিত।
মার্কিন ও ইসরায়েলি গোয়েন্দা তথ্যের উদ্ধৃতি দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মোজতবা খামেনি এই মুহূর্তে কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় জড়িত হওয়ার মতো অবস্থায় নেই। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় নিহত আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর পর তাঁর ছেলে মোজতবা দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার পদে আসেন। আলী খামেনির মরদেহ কোম শহরেই দাফনের জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে প্রতিবেদনে। মার্কিন ও ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর তথ্য বলছে, সেখানে একটি বিশাল মাজার তৈরির প্রস্তুতি চলছে, যেখানে একাধিক কবরের জায়গা রাখা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, এখানে প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতার সঙ্গে তাঁর পরিবারের সদস্যদেরও দাফন করা হতে পারে। এ বিষয়ে ওয়াশিংটন বা তেহরানের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি। ইরানের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে, যুদ্ধের প্রথম দিনই বিমান হামলায় আহত হন মোজতবা। একই হামলায় তাঁর বাবা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিও নিহত হন। ওই হামলায় মোজতবা তাঁর স্ত্রী ও এক ছেলেকে হারিয়েছেন। সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত হওয়ার পর এখন পর্যন্ত মোজতবাকে জনসমক্ষে দেখা যায়নি।
আমেরিকার দাবি, মোজতবা হাসপাতালে কোমায় রয়েছেন।

বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ এপ্রিল ২০২৬
ইরানের নতুন সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা মোজতবা খামেনির শারীরিক অবস্থা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে এসেছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, তিনি বর্তমানে ইরানের কোম শহরে চিকিৎসাধীন। ‘দ্য টাইমস’-এর এক প্রতিবেদনের বরাতে এনডিটিভি জানায়, মোজতবা খামেনির শারীরিক অবস্থা গুরুতর। ৫৬ বছর বয়সী এই নেতা বর্তমানে অচেতন অবস্থায় আছেন। সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর এই প্রথম মোজতবার অবস্থান সম্পর্কে জানা গেল। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কোম শহরটি ইরানের রাজধানী তেহরান থেকে ১৪০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত। এটি শিয়া মুসলিমদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র শহর হিসেবে বিবেচিত।
মার্কিন ও ইসরায়েলি গোয়েন্দা তথ্যের উদ্ধৃতি দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মোজতবা খামেনি এই মুহূর্তে কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় জড়িত হওয়ার মতো অবস্থায় নেই। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় নিহত আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর পর তাঁর ছেলে মোজতবা দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার পদে আসেন। আলী খামেনির মরদেহ কোম শহরেই দাফনের জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে প্রতিবেদনে। মার্কিন ও ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর তথ্য বলছে, সেখানে একটি বিশাল মাজার তৈরির প্রস্তুতি চলছে, যেখানে একাধিক কবরের জায়গা রাখা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, এখানে প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতার সঙ্গে তাঁর পরিবারের সদস্যদেরও দাফন করা হতে পারে। এ বিষয়ে ওয়াশিংটন বা তেহরানের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি। ইরানের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে, যুদ্ধের প্রথম দিনই বিমান হামলায় আহত হন মোজতবা। একই হামলায় তাঁর বাবা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিও নিহত হন। ওই হামলায় মোজতবা তাঁর স্ত্রী ও এক ছেলেকে হারিয়েছেন। সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত হওয়ার পর এখন পর্যন্ত মোজতবাকে জনসমক্ষে দেখা যায়নি।
আমেরিকার দাবি, মোজতবা হাসপাতালে কোমায় রয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন