প্রকাশ্যে কঠোর হুমকি দিলেও গোপনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন পাকিস্তানকে ব্যবহার করে ইরানের সঙ্গে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি করানোর চেষ্টা চালিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বুধবার (০৮ এপ্রিল) সংবাদমাধ্যমটির বরাতে ইয়েনি শাফাক জানিয়েছে, তেলের দাম দ্রুত বেড়ে যাওয়া এবং ইরানের অপ্রত্যাশিত সামরিক প্রতিরোধ ক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রকে কৌশল পরিবর্তনে বাধ্য করে।
সংঘাতের ফলে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের উপরে উঠে যাওয়ায় বৈশ্বিক অর্থনীতি ও মার্কিন অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে চাপ তৈরি হচ্ছিল। এই পরিস্থিতিতে ওয়াশিংটনের লক্ষ্য ছিল কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করা, যার মাধ্যমে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল পরিবাহিত হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র মনে করেছিল মুসলিম-প্রধান ও তুলনামূলক নিরপেক্ষ অবস্থানে থাকা পাকিস্তান তেহরানকে যুদ্ধবিরতিতে রাজি করাতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে। এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল অসিম মুনির।
তিনি ও তার দল ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ কর্মকর্তাদের মধ্যে বার্তা আদান-প্রদান করেন। এই গোপন আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ট্রাম্প ছাড়াও ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ যুক্ত ছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করায় ইসরায়েলে রকেট হামলা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রকাশ্যে যুক্তরাষ্ট্র যে দাবি করেছে যে ইরান নাকি যুদ্ধবিরতির জন্য অনুরোধ করেছিল।
এটি একটি পূর্ণ সামরিক বিজয়। তবে এর সঙ্গে পর্দার আড়ালের বাস্তবতার বড় ধরনের অমিল রয়েছে। বাস্তবে, তেলের দাম বৃদ্ধি ও ইরানের প্রতিরোধ ক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ থেকেই এই কূটনৈতিক তৎপরতা চালানো হয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশ্যে কঠোর হুমকি দিলেও গোপনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন পাকিস্তানকে ব্যবহার করে ইরানের সঙ্গে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি করানোর চেষ্টা চালিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বুধবার (০৮ এপ্রিল) সংবাদমাধ্যমটির বরাতে ইয়েনি শাফাক জানিয়েছে, তেলের দাম দ্রুত বেড়ে যাওয়া এবং ইরানের অপ্রত্যাশিত সামরিক প্রতিরোধ ক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রকে কৌশল পরিবর্তনে বাধ্য করে।
সংঘাতের ফলে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের উপরে উঠে যাওয়ায় বৈশ্বিক অর্থনীতি ও মার্কিন অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে চাপ তৈরি হচ্ছিল। এই পরিস্থিতিতে ওয়াশিংটনের লক্ষ্য ছিল কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করা, যার মাধ্যমে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল পরিবাহিত হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র মনে করেছিল মুসলিম-প্রধান ও তুলনামূলক নিরপেক্ষ অবস্থানে থাকা পাকিস্তান তেহরানকে যুদ্ধবিরতিতে রাজি করাতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে। এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল অসিম মুনির।
তিনি ও তার দল ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ কর্মকর্তাদের মধ্যে বার্তা আদান-প্রদান করেন। এই গোপন আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ট্রাম্প ছাড়াও ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ যুক্ত ছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করায় ইসরায়েলে রকেট হামলা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রকাশ্যে যুক্তরাষ্ট্র যে দাবি করেছে যে ইরান নাকি যুদ্ধবিরতির জন্য অনুরোধ করেছিল।
এটি একটি পূর্ণ সামরিক বিজয়। তবে এর সঙ্গে পর্দার আড়ালের বাস্তবতার বড় ধরনের অমিল রয়েছে। বাস্তবে, তেলের দাম বৃদ্ধি ও ইরানের প্রতিরোধ ক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ থেকেই এই কূটনৈতিক তৎপরতা চালানো হয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন