ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির নতুন বার্তা প্রকাশ করেছে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে বিবৃতিটি লিখিত আকারে প্রকাশ করা হয়।
যুদ্ধের শুরুতে বাবা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যু এবং ইরানের সর্বোচ্চ নেতার পদ গ্রহণের পর থেকে মোজতবা খামেনি এখন পর্যন্ত জনসমক্ষে আসেননি।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলায় নিহত প্রত্যেক শহীদের রক্তের মূল্য আদায় করা হবে।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘যুদ্ধের প্রথম দিনেই নিহত তার বাবা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ সব হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ নিতে ইরান দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। আমরা অবশ্যই প্রতিটি ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ, শহীদদের রক্তের মূল্য এবং এই যুদ্ধে আহতদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করব।’
ইরানপন্থিদের রাস্তায় নামার আহ্বান জানিয়ে বলা হয়েছে, উন্মুক্ত চত্বরে আপনাদের কণ্ঠ আলোচনা ও দর-কষাকষির পরিণতিতে প্রভাব ফেলে।
বিবৃতিতে আরো বলা হয়, ‘ইরান কখনোই যুদ্ধ চায়নি এবং এখনো চায় না। তবে নিজেদের বৈধ অধিকার আদায়ের প্রশ্নে কোনোভাবেই পিছু হটবে না।’
ইরান হরমুজ প্রণালির ব্যবস্থাপনাকে একটি নতুন পর্যায়ে নিয়ে যাবে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়। তবে তা কী হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি।
এদিকে, যুদ্ধবিরতি নিয়ে আজ শুক্রবার ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ এপ্রিল ২০২৬
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির নতুন বার্তা প্রকাশ করেছে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে বিবৃতিটি লিখিত আকারে প্রকাশ করা হয়।
যুদ্ধের শুরুতে বাবা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যু এবং ইরানের সর্বোচ্চ নেতার পদ গ্রহণের পর থেকে মোজতবা খামেনি এখন পর্যন্ত জনসমক্ষে আসেননি।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলায় নিহত প্রত্যেক শহীদের রক্তের মূল্য আদায় করা হবে।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘যুদ্ধের প্রথম দিনেই নিহত তার বাবা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ সব হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ নিতে ইরান দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। আমরা অবশ্যই প্রতিটি ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ, শহীদদের রক্তের মূল্য এবং এই যুদ্ধে আহতদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করব।’
ইরানপন্থিদের রাস্তায় নামার আহ্বান জানিয়ে বলা হয়েছে, উন্মুক্ত চত্বরে আপনাদের কণ্ঠ আলোচনা ও দর-কষাকষির পরিণতিতে প্রভাব ফেলে।
বিবৃতিতে আরো বলা হয়, ‘ইরান কখনোই যুদ্ধ চায়নি এবং এখনো চায় না। তবে নিজেদের বৈধ অধিকার আদায়ের প্রশ্নে কোনোভাবেই পিছু হটবে না।’
ইরান হরমুজ প্রণালির ব্যবস্থাপনাকে একটি নতুন পর্যায়ে নিয়ে যাবে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়। তবে তা কী হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি।
এদিকে, যুদ্ধবিরতি নিয়ে আজ শুক্রবার ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

আপনার মতামত লিখুন