ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান উত্তেজনার মধ্যেও কূটনৈতিকভাবে নমনীয় অবস্থান দেখিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছেন, ইসলামাবাদে আলোচনায় অগ্রগতি হলে ইরানের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে সরাসরি বৈঠক করতে তার কোনো আপত্তি নেই। সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক পোস্টকে দেওয়া এক সংক্ষিপ্ত সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, “তারা (ইরানিরা) যদি দেখা করতে চান, আমার কোনো সমস্যা নেই।” একই সঙ্গে ইরানের পক্ষ থেকে আলোচনায় অনাগ্রহের ঘোষণাকে গুরুত্ব না দিয়ে তিনি মন্তব্য করেন, “আমাদের আলোচনা হওয়ার কথা—আমি মনে করি, এখন কেউই কোনো কূটচাল খেলছে না।
” তিনি আরও জানান, মার্কিন প্রতিনিধি দল ইতোমধ্যে ইসলামাবাদ-এর উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেছে। প্রতিনিধি দলে রয়েছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং উপদেষ্টা ও ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার। ট্রাম্প জানান, তারা স্থানীয় সময় সোমবার রাতেই ইসলামাবাদে পৌঁছাবেন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান-এর মধ্যে চলমান যুদ্ধবিরতির সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যা পরিস্থিতির গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে তুলেছে। আলোচনার প্রধান ইস্যু হিসেবে ট্রাম্প স্পষ্ট করে বলেন, ইরানকে অবশ্যই তাদের পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি পরিত্যাগ করতে হবে। তার ভাষায়, “তাদের পারমাণবিক অস্ত্রের পরিকল্পনা বন্ধ করতে হবে—এটাই খুব সহজ বিষয়।” তবে আলোচনা ব্যর্থ হলে যুক্তরাষ্ট্র কী পদক্ষেপ নেবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কিছু জানাননি ট্রাম্প।
কেবল ইঙ্গিত দিয়ে বলেন, “আপনি কল্পনা করতে পারেন, সেটি সুখকর হবে না।” বিশ্লেষকদের মতে, কঠোর অবস্থানের পাশাপাশি সরাসরি আলোচনার আগ্রহ প্রকাশ ট্রাম্পের কৌশলগত নমনীয়তার ইঙ্গিত দেয়, যা ভবিষ্যৎ কূটনৈতিক সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে

মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ এপ্রিল ২০২৬
ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান উত্তেজনার মধ্যেও কূটনৈতিকভাবে নমনীয় অবস্থান দেখিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছেন, ইসলামাবাদে আলোচনায় অগ্রগতি হলে ইরানের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে সরাসরি বৈঠক করতে তার কোনো আপত্তি নেই। সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক পোস্টকে দেওয়া এক সংক্ষিপ্ত সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, “তারা (ইরানিরা) যদি দেখা করতে চান, আমার কোনো সমস্যা নেই।” একই সঙ্গে ইরানের পক্ষ থেকে আলোচনায় অনাগ্রহের ঘোষণাকে গুরুত্ব না দিয়ে তিনি মন্তব্য করেন, “আমাদের আলোচনা হওয়ার কথা—আমি মনে করি, এখন কেউই কোনো কূটচাল খেলছে না।
” তিনি আরও জানান, মার্কিন প্রতিনিধি দল ইতোমধ্যে ইসলামাবাদ-এর উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেছে। প্রতিনিধি দলে রয়েছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং উপদেষ্টা ও ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার। ট্রাম্প জানান, তারা স্থানীয় সময় সোমবার রাতেই ইসলামাবাদে পৌঁছাবেন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান-এর মধ্যে চলমান যুদ্ধবিরতির সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যা পরিস্থিতির গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে তুলেছে। আলোচনার প্রধান ইস্যু হিসেবে ট্রাম্প স্পষ্ট করে বলেন, ইরানকে অবশ্যই তাদের পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি পরিত্যাগ করতে হবে। তার ভাষায়, “তাদের পারমাণবিক অস্ত্রের পরিকল্পনা বন্ধ করতে হবে—এটাই খুব সহজ বিষয়।” তবে আলোচনা ব্যর্থ হলে যুক্তরাষ্ট্র কী পদক্ষেপ নেবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কিছু জানাননি ট্রাম্প।
কেবল ইঙ্গিত দিয়ে বলেন, “আপনি কল্পনা করতে পারেন, সেটি সুখকর হবে না।” বিশ্লেষকদের মতে, কঠোর অবস্থানের পাশাপাশি সরাসরি আলোচনার আগ্রহ প্রকাশ ট্রাম্পের কৌশলগত নমনীয়তার ইঙ্গিত দেয়, যা ভবিষ্যৎ কূটনৈতিক সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে

আপনার মতামত লিখুন