আসিফ মাহমুদ ও হাসনাত আব্দুল্লাহ ‘প্রকল্পের নামে’ জেলা পরিষদের মাধ্যমে দুটি উপজেলার জন্য ২৫ কোটি টাকা নিয়েছেন বলে দাবি করে কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. মোস্তাক মিয়া তরুণ দুই এনসিপি নেতাকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘ওরা যে টাকাটা নিয়েছে, পারলে বলুক নেয় নাই।’ রোববার (৩১ মে) কালবেলাকে দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় নিজের আগের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়েছেন তিনি।
মো. মোস্তাক মিয়া বলেন, তারা দুটি উপজেলায় প্রকল্পের নামে যথাক্রমে ১৫ কোটি ও ১০ কোটি টাকা নিয়েছেন। একই সময়ে পাশের অন্য উপজেলাগুলোতে ১০ লাখ, ১৫ লাখ করে টাকা গেছে। এটা তো বৈষম্য। আমি সেই বৈষম্যের কথাই বলতে চেয়েছি।
‘টাকা আপনি খাইছেন এটা তো বলিনি’ তিনি আরও বলেন, আমাদের জেলা পরিষদের মাধ্যমে প্রকল্পের নামে ১৫ কোটি মুরাদনগরে এবং দেবীদ্বারে ১০ কোটি টাকা উনারা নিয়ে গিয়েছেন। তারা বলুক যে তারা এই টাকা নেননি। তারা আমাদের জেলা পরিষদের মাধ্যমে এটা নিয়েছে।
উনারাই বৈষম্যের সৃষ্টি করেছেন দাবি করে মো. মোস্তাক মিয়া বলেন, ওই সময় অন্যান্য উপজেলায়- তিতাস ও মনোহরগঞ্জসহ বিভিন্ন উপজেলায় ১০ লাখ ১৫ লাখ ১৮ লাখ, কোথাও ২৬ লাখ; এ রকম করে বরাদ্দ হয়েছে। কিন্তু দুইটি উপজেলায় এডিবি এবং আমাদের নিজস্ব তহবিলের টাকা ১৫ কোটি আরেক যায়গায় ১০ কোটির মতো টাকা তারা নিয়ে গিয়েছে।
_1.png)
সোমবার, ০১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মে ২০২৬
আসিফ মাহমুদ ও হাসনাত আব্দুল্লাহ ‘প্রকল্পের নামে’ জেলা পরিষদের মাধ্যমে দুটি উপজেলার জন্য ২৫ কোটি টাকা নিয়েছেন বলে দাবি করে কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. মোস্তাক মিয়া তরুণ দুই এনসিপি নেতাকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘ওরা যে টাকাটা নিয়েছে, পারলে বলুক নেয় নাই।’ রোববার (৩১ মে) কালবেলাকে দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় নিজের আগের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়েছেন তিনি।
মো. মোস্তাক মিয়া বলেন, তারা দুটি উপজেলায় প্রকল্পের নামে যথাক্রমে ১৫ কোটি ও ১০ কোটি টাকা নিয়েছেন। একই সময়ে পাশের অন্য উপজেলাগুলোতে ১০ লাখ, ১৫ লাখ করে টাকা গেছে। এটা তো বৈষম্য। আমি সেই বৈষম্যের কথাই বলতে চেয়েছি।
‘টাকা আপনি খাইছেন এটা তো বলিনি’ তিনি আরও বলেন, আমাদের জেলা পরিষদের মাধ্যমে প্রকল্পের নামে ১৫ কোটি মুরাদনগরে এবং দেবীদ্বারে ১০ কোটি টাকা উনারা নিয়ে গিয়েছেন। তারা বলুক যে তারা এই টাকা নেননি। তারা আমাদের জেলা পরিষদের মাধ্যমে এটা নিয়েছে।
উনারাই বৈষম্যের সৃষ্টি করেছেন দাবি করে মো. মোস্তাক মিয়া বলেন, ওই সময় অন্যান্য উপজেলায়- তিতাস ও মনোহরগঞ্জসহ বিভিন্ন উপজেলায় ১০ লাখ ১৫ লাখ ১৮ লাখ, কোথাও ২৬ লাখ; এ রকম করে বরাদ্দ হয়েছে। কিন্তু দুইটি উপজেলায় এডিবি এবং আমাদের নিজস্ব তহবিলের টাকা ১৫ কোটি আরেক যায়গায় ১০ কোটির মতো টাকা তারা নিয়ে গিয়েছে।
_1.png)
আপনার মতামত লিখুন