একই দিনে মারা গেছেন জাতীয় সংসদের সাবেক দুই সংসদ সদস্য। তারা হলেন, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ ও মৌলভীবাজার-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুল মতিন।
সোমবার (১ জুন) বিকেল ৪টায় রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান তোফায়েল আহমেদ। অপরদিকে, একই দিন দুপুর ১২টায় ঢাকাস্থ মিরপুরের বাসায় মারা যান আব্দুল মতিন।
তাদের মধ্যে তোফায়েল আহমদ ’৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানের মহানায়ক ও মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, এদিকে কুলাউড়ার সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল মতিন ও একাত্তরের বীর মুক্তিযোদ্ধা। মৃত্যুকালে তোফায়েল আহমদের বয়স হয়েছিল ৮২ বছর, আর আব্দুল মতিনের বয়স হয়েছিল ৮১। দুজনই আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। একজন ছিলেন জাতীয় নেতা অপরজন ছিলেন তৃণমূল আওয়ামী লীগের নেতা। জনপ্রতিনিধির দিক থেকে দুজনই দীর্ঘদিনের জনপ্রতিনিনিধি ছিলেন। স্বাধীন বাংলাদেশের সংসদীয় ইতিহাসে প্রবীণ রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদ মোট ৯ বার সংসদ সদস্য (এমপি) নির্বাচিত হয়েছিলেন।
১৯৭০ সালের নির্বাচনে মাত্র ২৭ বছর বয়সে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য (এমএনএ) নির্বাচিত হন। এর পর স্বাধীন বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে তিনি ১৯৭৩, ১৯৮৬, ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০৮, ২০১৪, ২০১৮ এবং সর্বশেষ ২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
আব্দুল মতিন দীর্ঘদিন স্থানীয় সরকারের জনপ্রতিনিধি ছিলেন। সর্বশেষ তিনি ২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে এমপি নির্বাচিত হন। ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি মহাজোটের প্রার্থীর সমর্থনে নিজের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নেন।
এর আগে তিনি জয়চন্ডী ইউনিয়ন পরিষদের ৫ বারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান ও কুলাউড়া উপজেলা পরিষদের সাবেক দুইবারের চেয়ারম্যান ছিলেন।
তোফায়েল আহমেদ ১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
আব্দুল মতিন ১৯৪৫ সালের ১৭ মার্চ মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়ার জয়চন্ডী ইউনিয়নের কামারকান্দি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
প্রবীণ রাজনীতিবিদ হিসেবে দুই নেতার মৃত্যুতে তাদের দীর্ঘদিনের সহকর্মী, রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও নিজ এলাকার মানুষের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
_1.png)
মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জুন ২০২৬
একই দিনে মারা গেছেন জাতীয় সংসদের সাবেক দুই সংসদ সদস্য। তারা হলেন, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ ও মৌলভীবাজার-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুল মতিন।
সোমবার (১ জুন) বিকেল ৪টায় রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান তোফায়েল আহমেদ। অপরদিকে, একই দিন দুপুর ১২টায় ঢাকাস্থ মিরপুরের বাসায় মারা যান আব্দুল মতিন।
তাদের মধ্যে তোফায়েল আহমদ ’৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানের মহানায়ক ও মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, এদিকে কুলাউড়ার সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল মতিন ও একাত্তরের বীর মুক্তিযোদ্ধা। মৃত্যুকালে তোফায়েল আহমদের বয়স হয়েছিল ৮২ বছর, আর আব্দুল মতিনের বয়স হয়েছিল ৮১। দুজনই আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। একজন ছিলেন জাতীয় নেতা অপরজন ছিলেন তৃণমূল আওয়ামী লীগের নেতা। জনপ্রতিনিধির দিক থেকে দুজনই দীর্ঘদিনের জনপ্রতিনিনিধি ছিলেন। স্বাধীন বাংলাদেশের সংসদীয় ইতিহাসে প্রবীণ রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদ মোট ৯ বার সংসদ সদস্য (এমপি) নির্বাচিত হয়েছিলেন।
১৯৭০ সালের নির্বাচনে মাত্র ২৭ বছর বয়সে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য (এমএনএ) নির্বাচিত হন। এর পর স্বাধীন বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে তিনি ১৯৭৩, ১৯৮৬, ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০৮, ২০১৪, ২০১৮ এবং সর্বশেষ ২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
আব্দুল মতিন দীর্ঘদিন স্থানীয় সরকারের জনপ্রতিনিধি ছিলেন। সর্বশেষ তিনি ২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে এমপি নির্বাচিত হন। ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি মহাজোটের প্রার্থীর সমর্থনে নিজের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নেন।
এর আগে তিনি জয়চন্ডী ইউনিয়ন পরিষদের ৫ বারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান ও কুলাউড়া উপজেলা পরিষদের সাবেক দুইবারের চেয়ারম্যান ছিলেন।
তোফায়েল আহমেদ ১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
আব্দুল মতিন ১৯৪৫ সালের ১৭ মার্চ মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়ার জয়চন্ডী ইউনিয়নের কামারকান্দি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
প্রবীণ রাজনীতিবিদ হিসেবে দুই নেতার মৃত্যুতে তাদের দীর্ঘদিনের সহকর্মী, রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও নিজ এলাকার মানুষের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
_1.png)
আপনার মতামত লিখুন