জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান।
৯৯টি সদস্যদেশের ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন তিনি। তাঁর কাছে হেরে গেছেন সাইপ্রাসের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পার্মানেন্ট সেক্রেটারি আন্দ্রেয়াস এস কাকোরিস। দীর্ঘ ৪০ বছর পর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করল বাংলাদেশ।
নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে স্থানীয় সময় সকাল ১০টা এবং বাংলাদেশ সময় রাত আটটায় এই নির্বাচনে ভোটাভুটি হয়। সদস্যরাষ্ট্রগুলোর প্রতিনিধিদের গোপন ব্যালটে দেওয়া ভোটে সভাপতি নির্বাচিত হন তিনি। মোট ১৯০টি ভোটের মধ্যে খলিলুর রহমান পান ৯৯ ভোট। অন্যদিকে সাইপ্রাসের আন্দ্রেয়াস এস কাকোরিস পেয়েছেন ৯১টি দেশের সমর্থন।
সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় এক বছরের জন্য সাধারণ পরিষদের অধিবেশন উদ্বোধন, আলোচনার নেতৃত্ব ও বিভিন্ন বিষয়ে সমন্বয়ের দায়িত্ব পেলেন খলিলুর রহমান।
এর আগে ১৯৮৬-৮৭ সালে জাতিসংঘের ৪১তম সাধারণ পরিষদের সভাপতি হয়েছিলেন বাংলাদেশের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও স্পিকার হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী। ভোটের পর দায়িত্ব গ্রহণের আগে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে বক্তব্য দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। এ সময় তিনি তুলে ধরেন তাঁর আগামী এক বছরের কর্মপরিকল্পনা।
ড. খলিলুর রহমান বলেন, ‘এই বিজয় বাংলাদেশের। আমাকে নির্বাচিত করার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ। আগামী এক বছর এই দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে আমি কিছু পরিকল্পনা করেছি। জাতিসংঘের মূল লক্ষ্য মানবাধিকার রক্ষাসহ বিশ্বশান্তি নিশ্চিতের ওপর গুরুত্ব দেব আমি। বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরেই বিশ্ব শান্তিরক্ষা মিশনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে।’
_1.png)
বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুন ২০২৬
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান।
৯৯টি সদস্যদেশের ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন তিনি। তাঁর কাছে হেরে গেছেন সাইপ্রাসের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পার্মানেন্ট সেক্রেটারি আন্দ্রেয়াস এস কাকোরিস। দীর্ঘ ৪০ বছর পর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করল বাংলাদেশ।
নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে স্থানীয় সময় সকাল ১০টা এবং বাংলাদেশ সময় রাত আটটায় এই নির্বাচনে ভোটাভুটি হয়। সদস্যরাষ্ট্রগুলোর প্রতিনিধিদের গোপন ব্যালটে দেওয়া ভোটে সভাপতি নির্বাচিত হন তিনি। মোট ১৯০টি ভোটের মধ্যে খলিলুর রহমান পান ৯৯ ভোট। অন্যদিকে সাইপ্রাসের আন্দ্রেয়াস এস কাকোরিস পেয়েছেন ৯১টি দেশের সমর্থন।
সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় এক বছরের জন্য সাধারণ পরিষদের অধিবেশন উদ্বোধন, আলোচনার নেতৃত্ব ও বিভিন্ন বিষয়ে সমন্বয়ের দায়িত্ব পেলেন খলিলুর রহমান।
এর আগে ১৯৮৬-৮৭ সালে জাতিসংঘের ৪১তম সাধারণ পরিষদের সভাপতি হয়েছিলেন বাংলাদেশের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও স্পিকার হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী। ভোটের পর দায়িত্ব গ্রহণের আগে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে বক্তব্য দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। এ সময় তিনি তুলে ধরেন তাঁর আগামী এক বছরের কর্মপরিকল্পনা।
ড. খলিলুর রহমান বলেন, ‘এই বিজয় বাংলাদেশের। আমাকে নির্বাচিত করার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ। আগামী এক বছর এই দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে আমি কিছু পরিকল্পনা করেছি। জাতিসংঘের মূল লক্ষ্য মানবাধিকার রক্ষাসহ বিশ্বশান্তি নিশ্চিতের ওপর গুরুত্ব দেব আমি। বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরেই বিশ্ব শান্তিরক্ষা মিশনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে।’
_1.png)
আপনার মতামত লিখুন