মধ্যপ্রাচ্যের চলমান ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আবারও সুদের হার বাড়ার আশঙ্কার প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামে বড় ধরনের পতন হয়েছে।
শুক্রবার (৫ জুন) বাংলাদেশ সময় বেলা ১১টা ৪৮ মিনিটে স্পট গোল্ডের দাম ০.৬ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪,৪৪৫.৫১ মার্কিন ডলারে নেমে আসে। চলতি সপ্তাহে স্বর্ণের দাম প্রায় ২ শতাংশ কমেছে।
একই সময়ে আগস্ট ডেলিভারির মার্কিন গোল্ড ফিউচারসের দাম ০.৭ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪,৪৭১.৭০ ডলারে দাঁড়িয়েছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহর যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান এবং লেবানন থেকে সেনা প্রত্যাহারে ইসরাইলের অনীহার কারণে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা বাধাগ্রস্ত হয়েছে।
এতে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি হলেও স্বর্ণবাজারে প্রত্যাশিত ইতিবাচক প্রভাব দেখা যায়নি। এবিসি রিফাইনারির গ্লোবাল হেড অব ইনস্টিটিউশনাল মার্কেটস নিকোলাস ফ্রাপেল বলেন, ইরান সংকট নিরসন নিয়ে হতাশা এবং যুক্তরাষ্ট্রে সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনা স্বর্ণের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে। বাজার সংশ্লিষ্টদের ধারণা, চলতি বছরের শেষ নাগাদ মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার বাড়াতে পারে।
Chicago Mercantile Exchange-এর ফেডওয়াচ টুল অনুযায়ী, ডিসেম্বরের মধ্যে সুদহার বৃদ্ধির সম্ভাবনা ৫১ শতাংশ। স্বর্ণের পাশাপাশি অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামও কমেছে। স্পট সিলভারের দাম ২ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৭২.৩৬ ডলারে, প্লাটিনামের দাম ১ শতাংশ কমে ১,৮৮০.৪০ ডলারে এবং প্যালাডিয়ামের দাম ১.৭ শতাংশ কমে ১,২৯৮.৪৯ ডলারে নেমে এসেছে।
ফলে চলতি সপ্তাহে মূল্যবান ধাতুগুলোর বাজারে সামগ্রিকভাবে লোকসানের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।
_1.png)
শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুন ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আবারও সুদের হার বাড়ার আশঙ্কার প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামে বড় ধরনের পতন হয়েছে।
শুক্রবার (৫ জুন) বাংলাদেশ সময় বেলা ১১টা ৪৮ মিনিটে স্পট গোল্ডের দাম ০.৬ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪,৪৪৫.৫১ মার্কিন ডলারে নেমে আসে। চলতি সপ্তাহে স্বর্ণের দাম প্রায় ২ শতাংশ কমেছে।
একই সময়ে আগস্ট ডেলিভারির মার্কিন গোল্ড ফিউচারসের দাম ০.৭ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪,৪৭১.৭০ ডলারে দাঁড়িয়েছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহর যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান এবং লেবানন থেকে সেনা প্রত্যাহারে ইসরাইলের অনীহার কারণে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা বাধাগ্রস্ত হয়েছে।
এতে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি হলেও স্বর্ণবাজারে প্রত্যাশিত ইতিবাচক প্রভাব দেখা যায়নি। এবিসি রিফাইনারির গ্লোবাল হেড অব ইনস্টিটিউশনাল মার্কেটস নিকোলাস ফ্রাপেল বলেন, ইরান সংকট নিরসন নিয়ে হতাশা এবং যুক্তরাষ্ট্রে সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনা স্বর্ণের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে। বাজার সংশ্লিষ্টদের ধারণা, চলতি বছরের শেষ নাগাদ মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার বাড়াতে পারে।
Chicago Mercantile Exchange-এর ফেডওয়াচ টুল অনুযায়ী, ডিসেম্বরের মধ্যে সুদহার বৃদ্ধির সম্ভাবনা ৫১ শতাংশ। স্বর্ণের পাশাপাশি অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামও কমেছে। স্পট সিলভারের দাম ২ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৭২.৩৬ ডলারে, প্লাটিনামের দাম ১ শতাংশ কমে ১,৮৮০.৪০ ডলারে এবং প্যালাডিয়ামের দাম ১.৭ শতাংশ কমে ১,২৯৮.৪৯ ডলারে নেমে এসেছে।
ফলে চলতি সপ্তাহে মূল্যবান ধাতুগুলোর বাজারে সামগ্রিকভাবে লোকসানের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।
_1.png)
আপনার মতামত লিখুন