২০১৫ সালে অষ্টম জাতীয় বেতন স্কেল কার্যকর হওয়ার প্রায় এক যুগ পরও নবম পে স্কেল নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে হতাশা ও উদ্বেগ বাড়ছে।
নতুন বেতন কাঠামোর প্রজ্ঞাপন ও বাস্তবায়ন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় তারা সরকারের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন।
সংশ্লিষ্ট মহলে আগামী ১ জুলাই থেকে নতুন পে স্কেল কার্যকরের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা থাকলেও জুন মাসের মধ্যে প্রজ্ঞাপন জারি না হলে প্রশাসনিক ও আইনি জটিলতা দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
দীর্ঘদিন ধরে সরকারি চাকরিজীবীরা নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে আসছেন। বিভিন্ন সময়ে গণমাধ্যমে ন্যূনতম বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা করার সুপারিশসহ নানা প্রস্তাবনার খবর প্রকাশিত হলেও এ বিষয়ে এখনো কোনো সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি হয়নি।
সূত্র জানায়, সরকারের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় নতুন বেতন কাঠামো একযোগে বাস্তবায়নের পরিবর্তে ধাপে ধাপে কার্যকর করার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে। তবে এ প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছেন বিভিন্ন কর্মচারী সংগঠনের নেতারা।
নবম পে স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে প্রত্যাশা যেমন বাড়ছে, তেমনি বাড়ছে চাকরিজীবীদের উৎকণ্ঠাও। এখন সবার নজর সরকারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ও সম্ভাব্য প্রজ্ঞাপনের দিকে।
তাদের দাবি, দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর নতুন পে স্কেল চালু করা হলে তা আংশিকভাবে নয়, একবারেই পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। তাদের মতে, বর্তমান উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে ধাপে ধাপে বেতন বৃদ্ধি কর্মচারীদের আর্থিক চাপ কমাতে যথেষ্ট হবে না।
_1.png)
মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুন ২০২৬
২০১৫ সালে অষ্টম জাতীয় বেতন স্কেল কার্যকর হওয়ার প্রায় এক যুগ পরও নবম পে স্কেল নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে হতাশা ও উদ্বেগ বাড়ছে।
নতুন বেতন কাঠামোর প্রজ্ঞাপন ও বাস্তবায়ন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় তারা সরকারের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন।
সংশ্লিষ্ট মহলে আগামী ১ জুলাই থেকে নতুন পে স্কেল কার্যকরের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা থাকলেও জুন মাসের মধ্যে প্রজ্ঞাপন জারি না হলে প্রশাসনিক ও আইনি জটিলতা দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
দীর্ঘদিন ধরে সরকারি চাকরিজীবীরা নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে আসছেন। বিভিন্ন সময়ে গণমাধ্যমে ন্যূনতম বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা করার সুপারিশসহ নানা প্রস্তাবনার খবর প্রকাশিত হলেও এ বিষয়ে এখনো কোনো সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি হয়নি।
সূত্র জানায়, সরকারের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় নতুন বেতন কাঠামো একযোগে বাস্তবায়নের পরিবর্তে ধাপে ধাপে কার্যকর করার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে। তবে এ প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছেন বিভিন্ন কর্মচারী সংগঠনের নেতারা।
নবম পে স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে প্রত্যাশা যেমন বাড়ছে, তেমনি বাড়ছে চাকরিজীবীদের উৎকণ্ঠাও। এখন সবার নজর সরকারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ও সম্ভাব্য প্রজ্ঞাপনের দিকে।
তাদের দাবি, দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর নতুন পে স্কেল চালু করা হলে তা আংশিকভাবে নয়, একবারেই পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। তাদের মতে, বর্তমান উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে ধাপে ধাপে বেতন বৃদ্ধি কর্মচারীদের আর্থিক চাপ কমাতে যথেষ্ট হবে না।
_1.png)
আপনার মতামত লিখুন