২০২৬-২৭ অর্থবছরের নতুন বাজেটে অন্তর্বর্তী সরকারের আমেরিকার সঙ্গে করা ৪৫ হাজার ৪০৮ কোটি টাকার বিমান চুক্তি বাস্তবায়নের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকালে জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপনের সময় এ প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বাজেট বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বিমান মার্কিন উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের সঙ্গে ১৪টি আধুনিক উড়োজাহাজ সংগ্রহের চূড়ান্ত চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে। যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ৩৭০ কোটি মার্কিন ডলার বা ৪৫ হাজার ৪০৮ কোটি টাকা।
এ উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশ বিমানের বহর সম্প্রসারণ, আন্তর্জাতিক রুটে সংযোগ বৃদ্ধি, যাত্রী ও কার্গো পরিবহন সক্ষমতা উন্নয়ন এবং বৈশ্বিক এভিয়েশন খাতে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে।
মন্ত্রী বলেন, বিমানবন্দরসমূহে যাত্রীসেবা আধুনিকীকরণ, কার্গো ব্যবস্থাপনা শক্তিশালীকরণ, বিমানবহরে নিরাপত্তা মান উন্নয়ন এবং ডিজিটাল সেবা বিস্তারের মাধ্যমে একটি দক্ষ, নিরাপদ ও প্রতিযোগিতামূলক এভিয়েশন খাত গড়ে তোলা হবে।
এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে পর্যটন শিল্পের বিকাশ ত্বরান্বিত হবে এবং জিডিপিতে পর্যটন খাতের অবদান ৬-৭ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য অর্জনে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।
_1.png)
শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুন ২০২৬
২০২৬-২৭ অর্থবছরের নতুন বাজেটে অন্তর্বর্তী সরকারের আমেরিকার সঙ্গে করা ৪৫ হাজার ৪০৮ কোটি টাকার বিমান চুক্তি বাস্তবায়নের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকালে জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপনের সময় এ প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বাজেট বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বিমান মার্কিন উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের সঙ্গে ১৪টি আধুনিক উড়োজাহাজ সংগ্রহের চূড়ান্ত চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে। যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ৩৭০ কোটি মার্কিন ডলার বা ৪৫ হাজার ৪০৮ কোটি টাকা।
এ উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশ বিমানের বহর সম্প্রসারণ, আন্তর্জাতিক রুটে সংযোগ বৃদ্ধি, যাত্রী ও কার্গো পরিবহন সক্ষমতা উন্নয়ন এবং বৈশ্বিক এভিয়েশন খাতে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে।
মন্ত্রী বলেন, বিমানবন্দরসমূহে যাত্রীসেবা আধুনিকীকরণ, কার্গো ব্যবস্থাপনা শক্তিশালীকরণ, বিমানবহরে নিরাপত্তা মান উন্নয়ন এবং ডিজিটাল সেবা বিস্তারের মাধ্যমে একটি দক্ষ, নিরাপদ ও প্রতিযোগিতামূলক এভিয়েশন খাত গড়ে তোলা হবে।
এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে পর্যটন শিল্পের বিকাশ ত্বরান্বিত হবে এবং জিডিপিতে পর্যটন খাতের অবদান ৬-৭ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য অর্জনে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।
_1.png)
আপনার মতামত লিখুন