শারীরিক ও মানসিক অসামর্থ্যতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে সংসদ সচিবালয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র দেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের (বীর বিক্রম)। ফলে নিয়ম অনুযায়ী এখন মো. সাহাবুদ্দিনকে রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন ‘বঙ্গভবন’ ছাড়তে হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দায়িত্ব ছাড়ার পর রাজধানীর গুলশানে অবস্থিত নিজের ব্যক্তিগত বাসভবনে উঠবেন সদ্য বিদায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এ ছাড়াও চিকিৎসার জন্য তার বিদেশে যাওয়ার প্রস্তুতিও রয়েছে বলে জানা গেছে। তবে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি। এর আগে সংসদ সচিবালয়ে আয়োজিত জরুরি সংবাদ সম্মেলনে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ জানান, শুক্রবার বিকেল ৫টা ১ মিনিটে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের স্বাক্ষরযুক্ত পদত্যাগপত্র আমি হাতে পেয়েছি। স্পিকার হিসেবে আমি সেই পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছি। ফলে সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বর্তমানে আমি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছি।
তিনি বলেন, মো. সাহাবুদ্দিন শারীরিক ও মানসিক অসামর্থ্যতার কারণে পদত্যাগ করেছেন। আমি তার মঙ্গল এবং সুস্বাস্থ্য কামনা করি। আমার মনে হয়, মাফিয়া সরকারের আমলে নির্বাচিত হলেও বর্তমানে জনগণের ভোটে নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকারের প্রতি তিনি সবসময় সমর্থন এবং শ্রদ্ধা প্রকাশ করেছেন। আমি তার মঙ্গল কামনা করি।
এদিকে শুক্রবার বিকেলে স্পিকারের কাছে পাঠানো পদত্যাগপত্রে দায়িত্ব ছাড়ার কারণ জানিয়ে মো. সাহাবুদ্দিন লিখেছেন, ‘আমি গুরুতর অসুস্থ। হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও কিডনি জটিলতায় ভুগছি। আমার হৃদযন্ত্রে বাইপাস সার্জারি হয়েছে। ইদানিং স্বাস্থ্য পরীক্ষায় অটোনমিক নিউরোপ্যাথি নামক রোগ শনাক্ত হয়েছে। এই রোগের কারণে আমি মাঝে মাঝে ক্ষণিক অচেতন হয়ে যাই। রোগ সমূহের প্রাদুর্ভাবে শারীরিক ও মানসিক অসামর্থ্যতার কারণে রাষ্ট্রপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদের দায়িত্ব পালন করা আমার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না।
আমার দীর্ঘ মেয়াদে চিকিৎসা প্রয়োজন। এমতাবস্থায়, সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী আমি রাষ্ট্রপতির পদ হতে পদত্যাগ করছি।’
_1.png)
শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুলাই ২০২৬
শারীরিক ও মানসিক অসামর্থ্যতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে সংসদ সচিবালয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র দেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের (বীর বিক্রম)। ফলে নিয়ম অনুযায়ী এখন মো. সাহাবুদ্দিনকে রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন ‘বঙ্গভবন’ ছাড়তে হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দায়িত্ব ছাড়ার পর রাজধানীর গুলশানে অবস্থিত নিজের ব্যক্তিগত বাসভবনে উঠবেন সদ্য বিদায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এ ছাড়াও চিকিৎসার জন্য তার বিদেশে যাওয়ার প্রস্তুতিও রয়েছে বলে জানা গেছে। তবে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি। এর আগে সংসদ সচিবালয়ে আয়োজিত জরুরি সংবাদ সম্মেলনে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ জানান, শুক্রবার বিকেল ৫টা ১ মিনিটে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের স্বাক্ষরযুক্ত পদত্যাগপত্র আমি হাতে পেয়েছি। স্পিকার হিসেবে আমি সেই পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছি। ফলে সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বর্তমানে আমি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছি।
তিনি বলেন, মো. সাহাবুদ্দিন শারীরিক ও মানসিক অসামর্থ্যতার কারণে পদত্যাগ করেছেন। আমি তার মঙ্গল এবং সুস্বাস্থ্য কামনা করি। আমার মনে হয়, মাফিয়া সরকারের আমলে নির্বাচিত হলেও বর্তমানে জনগণের ভোটে নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকারের প্রতি তিনি সবসময় সমর্থন এবং শ্রদ্ধা প্রকাশ করেছেন। আমি তার মঙ্গল কামনা করি।
এদিকে শুক্রবার বিকেলে স্পিকারের কাছে পাঠানো পদত্যাগপত্রে দায়িত্ব ছাড়ার কারণ জানিয়ে মো. সাহাবুদ্দিন লিখেছেন, ‘আমি গুরুতর অসুস্থ। হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও কিডনি জটিলতায় ভুগছি। আমার হৃদযন্ত্রে বাইপাস সার্জারি হয়েছে। ইদানিং স্বাস্থ্য পরীক্ষায় অটোনমিক নিউরোপ্যাথি নামক রোগ শনাক্ত হয়েছে। এই রোগের কারণে আমি মাঝে মাঝে ক্ষণিক অচেতন হয়ে যাই। রোগ সমূহের প্রাদুর্ভাবে শারীরিক ও মানসিক অসামর্থ্যতার কারণে রাষ্ট্রপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদের দায়িত্ব পালন করা আমার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না।
আমার দীর্ঘ মেয়াদে চিকিৎসা প্রয়োজন। এমতাবস্থায়, সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী আমি রাষ্ট্রপতির পদ হতে পদত্যাগ করছি।’
_1.png)
আপনার মতামত লিখুন