হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদযাত্রায় হামলার অভিযোগ উঠেছে। এতে দলটির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম ও মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আহত হয়েছেন। এ ঘটনার জন্য বিএনপিকে দায়ী করেছে এনসিপি। দলটির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এক ফেসবুক পোস্টে জানান, এ হামলায় সাংবাদিক ও এনসিপির একাধিক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। আসিফ বলেন, ‘উদ্বেগজনক বিষয় হলো, পুলিশের উপস্থিতিতেই এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। এমনকি এনসিপির মিডিয়া টিমের মাইক্রোবাস জেলা সার্কিট হাউসের ভেতরে নিয়ে ভাঙচুর করা হয়েছে।
রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরে সংঘটিত এই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড রাজনৈতিক সহিংসতার এক ভয়াবহ দৃষ্টান্ত। হামলাকারীরা মোবাইল ফোন ও ক্যামেরাও ছিনিয়ে নিয়ে গেছে।’ ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী জানান, হবিগঞ্জে জুলাই পদযাত্রা শেষ করে মৌলভীবাজারের দিকে রওনা হওয়ার সময় এ ঘটনা হয়। তিনি বলেন, ‘হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের একদল সন্ত্রাসী হকিস্টিক, রামদা, চেইনসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমাদের ওপর পরিকল্পিত ও অতর্কিত হামলা চালায়।’ নাসীরুদ্দীন বলেন, ‘এই হামলায় উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের ওপরও হামলা করা হয়। হবিগঞ্জের স্থানীয় নেতাকর্মীদের ওপর নির্মমভাবে আঘাত করা হয়। কারও হাত ভেঙে দেওয়া হয়েছে, কারও পা ভেঙে দেওয়া হয়েছে। অনেকেই রক্তাক্ত অবস্থায় সড়কে লুটিয়ে পড়ে আছে।’ তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ বা বিএনপির কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
_1.png)
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুলাই ২০২৬
হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদযাত্রায় হামলার অভিযোগ উঠেছে। এতে দলটির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম ও মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আহত হয়েছেন। এ ঘটনার জন্য বিএনপিকে দায়ী করেছে এনসিপি। দলটির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এক ফেসবুক পোস্টে জানান, এ হামলায় সাংবাদিক ও এনসিপির একাধিক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। আসিফ বলেন, ‘উদ্বেগজনক বিষয় হলো, পুলিশের উপস্থিতিতেই এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। এমনকি এনসিপির মিডিয়া টিমের মাইক্রোবাস জেলা সার্কিট হাউসের ভেতরে নিয়ে ভাঙচুর করা হয়েছে।
রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরে সংঘটিত এই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড রাজনৈতিক সহিংসতার এক ভয়াবহ দৃষ্টান্ত। হামলাকারীরা মোবাইল ফোন ও ক্যামেরাও ছিনিয়ে নিয়ে গেছে।’ ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী জানান, হবিগঞ্জে জুলাই পদযাত্রা শেষ করে মৌলভীবাজারের দিকে রওনা হওয়ার সময় এ ঘটনা হয়। তিনি বলেন, ‘হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের একদল সন্ত্রাসী হকিস্টিক, রামদা, চেইনসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমাদের ওপর পরিকল্পিত ও অতর্কিত হামলা চালায়।’ নাসীরুদ্দীন বলেন, ‘এই হামলায় উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের ওপরও হামলা করা হয়। হবিগঞ্জের স্থানীয় নেতাকর্মীদের ওপর নির্মমভাবে আঘাত করা হয়। কারও হাত ভেঙে দেওয়া হয়েছে, কারও পা ভেঙে দেওয়া হয়েছে। অনেকেই রক্তাক্ত অবস্থায় সড়কে লুটিয়ে পড়ে আছে।’ তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ বা বিএনপির কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
_1.png)
আপনার মতামত লিখুন