ফেনীর দাগনভূঞায় স্বামীকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় স্ত্রীকে আটক করেছে পুলিশ । মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) জেলার দাগনভূঞা পৌরসভার জগতপুর এলাকার গফুর ভান্ডারী বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
ঘটনাস্থল থেকে অভিযুক্ত স্ত্রী খালেদা ইয়াসমিন (৩২) কে আটক ও নিহত আলমগীর হোসেন (৪৫) এর মরদেহ উদ্ধার করা হয়ে বলে জানিয়েছেন দাগনভূঞা থানার ওসি ওয়াহেদ পারভেজ।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, ২০০২ সালে পারিবারিক ভাবে আলমগীরের সাথে বিয়ে হয় খালেদা ইয়াসমিনের। বিয়ের পর থেকে পরিবহন শ্রমিক স্বামীর সংসারে সুখেই ছিলেন ইয়াসমিন। গত কয়েক বছর যাবৎ নানা কারণে পারিবারিক কলহের এক পর্যায়ের নারায়নগঞ্জে আরেকটি বিয়ে করেন আলমগীর। সেই থেকে তিনি ইয়াসমিনের সাথে যোগাযোগ কমিয়ে দেন। সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাতে আলমগীর বাড়িতে আসেন।
মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে বাকবিতন্ডার এক পর্যায়ে তাকে কুপিয়ে হত্যা করেন ইয়াসমিন। নিহত আলমগীর হোসেন গফুর ভান্ডারী বাড়ির আব্দুল গফুরের ছেলে। তিনি পেশায় ট্রাক চালক ছিলেন।
নিহতের ছেলের দাবি, তার বাবা দ্বিতীয় বিবাহ করায় পরিবারে দ্বন্ধের সুত্রপাত হয়। এরই জেরে দীর্ঘদিন পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন তার বাবা। সকালে এসব নিয়ে বাক-বিতন্ডার মধ্যে একে-অপরকে মারধোর করেন। এক পর্যায়ে তার মায়ের ছুরিকাঘাতে বাবার মৃত্যু হয়েছে বলে জানান তিনি।
দাগনভূঞা থানার ওসি ওয়াহেদ পারভেজ জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ফেনী জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে। অভিযুক্তকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
প্রাথমিকভাবে পারিবারিক কলহের জের ধরে এই হত্যাকান্ড ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
_1.png)
বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
ফেনীর দাগনভূঞায় স্বামীকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় স্ত্রীকে আটক করেছে পুলিশ । মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) জেলার দাগনভূঞা পৌরসভার জগতপুর এলাকার গফুর ভান্ডারী বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
ঘটনাস্থল থেকে অভিযুক্ত স্ত্রী খালেদা ইয়াসমিন (৩২) কে আটক ও নিহত আলমগীর হোসেন (৪৫) এর মরদেহ উদ্ধার করা হয়ে বলে জানিয়েছেন দাগনভূঞা থানার ওসি ওয়াহেদ পারভেজ।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, ২০০২ সালে পারিবারিক ভাবে আলমগীরের সাথে বিয়ে হয় খালেদা ইয়াসমিনের। বিয়ের পর থেকে পরিবহন শ্রমিক স্বামীর সংসারে সুখেই ছিলেন ইয়াসমিন। গত কয়েক বছর যাবৎ নানা কারণে পারিবারিক কলহের এক পর্যায়ের নারায়নগঞ্জে আরেকটি বিয়ে করেন আলমগীর। সেই থেকে তিনি ইয়াসমিনের সাথে যোগাযোগ কমিয়ে দেন। সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাতে আলমগীর বাড়িতে আসেন।
মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে বাকবিতন্ডার এক পর্যায়ে তাকে কুপিয়ে হত্যা করেন ইয়াসমিন। নিহত আলমগীর হোসেন গফুর ভান্ডারী বাড়ির আব্দুল গফুরের ছেলে। তিনি পেশায় ট্রাক চালক ছিলেন।
নিহতের ছেলের দাবি, তার বাবা দ্বিতীয় বিবাহ করায় পরিবারে দ্বন্ধের সুত্রপাত হয়। এরই জেরে দীর্ঘদিন পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন তার বাবা। সকালে এসব নিয়ে বাক-বিতন্ডার মধ্যে একে-অপরকে মারধোর করেন। এক পর্যায়ে তার মায়ের ছুরিকাঘাতে বাবার মৃত্যু হয়েছে বলে জানান তিনি।
দাগনভূঞা থানার ওসি ওয়াহেদ পারভেজ জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ফেনী জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে। অভিযুক্তকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
প্রাথমিকভাবে পারিবারিক কলহের জের ধরে এই হত্যাকান্ড ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
_1.png)
আপনার মতামত লিখুন