কর্তব্যরত অবস্থায় গুলিবিদ্ধ হয়ে খুলনা রেলওয়ে পুলিশের এক সদস্য নিহত হয়েছেন। শনিবার ভোরে নগরের সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকার (দ্বিতীয় পর্যায়) খুলনা রেলওয়ে জেলা কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। রেলওয়ে পুলিশ বলছে, নিজের অস্ত্র দিয়ে মাথায় গুলি করে আত্মহত্যা করেছেন তিনি। নিহত কনস্টেবলের নাম সম্রাট বিশ্বাস (২৭)।
তিনি গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার শৈলেন বিশ্বাসের ছেলে। সম্রাট বিশ্বাসের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন খুলনা রেলওয়ে পুলিশের পুলিশ সুপার আহমেদ মাঈনুল হাসান। তিনি বলেন, শনিবার ভোরে অস্ত্রাগার (ম্যাগাজিন গার্ড) এলাকায় দায়িত্ব পালন করছিলেন সম্রাট বিশ্বাস। আনুমানিক ভোর সাড়ে ৪টা থেকে ৫টার মধ্যে নিজের ইস্যুকৃত চাইনিজ রাইফেল দিয়ে মাথায় গুলি করেন তিনি।
ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পুলিশ সুপার আহমেদ মাঈনুল হাসান বলেন, সম্রাট বিশ্বাস একজন ভালো ও কর্মঠ কনস্টেবল হিসেবে পরিচিত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে, পারিবারিক বিভিন্ন কারণে তিনি হতাশায় ভুগছিলেন। তবে এ বিষয়ে তিনি সহকর্মীদের কাছে কখনও কিছু জানাননি।

রোববার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ এপ্রিল ২০২৬
কর্তব্যরত অবস্থায় গুলিবিদ্ধ হয়ে খুলনা রেলওয়ে পুলিশের এক সদস্য নিহত হয়েছেন। শনিবার ভোরে নগরের সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকার (দ্বিতীয় পর্যায়) খুলনা রেলওয়ে জেলা কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। রেলওয়ে পুলিশ বলছে, নিজের অস্ত্র দিয়ে মাথায় গুলি করে আত্মহত্যা করেছেন তিনি। নিহত কনস্টেবলের নাম সম্রাট বিশ্বাস (২৭)।
তিনি গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার শৈলেন বিশ্বাসের ছেলে। সম্রাট বিশ্বাসের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন খুলনা রেলওয়ে পুলিশের পুলিশ সুপার আহমেদ মাঈনুল হাসান। তিনি বলেন, শনিবার ভোরে অস্ত্রাগার (ম্যাগাজিন গার্ড) এলাকায় দায়িত্ব পালন করছিলেন সম্রাট বিশ্বাস। আনুমানিক ভোর সাড়ে ৪টা থেকে ৫টার মধ্যে নিজের ইস্যুকৃত চাইনিজ রাইফেল দিয়ে মাথায় গুলি করেন তিনি।
ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পুলিশ সুপার আহমেদ মাঈনুল হাসান বলেন, সম্রাট বিশ্বাস একজন ভালো ও কর্মঠ কনস্টেবল হিসেবে পরিচিত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে, পারিবারিক বিভিন্ন কারণে তিনি হতাশায় ভুগছিলেন। তবে এ বিষয়ে তিনি সহকর্মীদের কাছে কখনও কিছু জানাননি।

আপনার মতামত লিখুন