রাজধানীর তিতুমীর কলেজ-এর ছাত্রীনিবাসে ছাত্ররাজনীতি ঘিরে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ভিন্ন অবস্থান নিয়েছেন এক শিক্ষার্থী নেত্রী। সুফিয়া কামাল হল শাখার ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক শিখা আক্তার জানিয়েছেন, তিনি আর কোনো রাজনৈতিক পরিচয়ে থাকতে চান না—বরং সাধারণ শিক্ষার্থী হিসেবেই থাকতে আগ্রহী।
সম্প্রতি কলেজ হলে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধের দাবিকে কেন্দ্র করে যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, তা নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই মন্তব্য করেন। শিখা আক্তার বলেন, তিনি আগে থেকেই সক্রিয় রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন না এবং বর্তমানেও কোনো রাজনৈতিক কার্যক্রমে থাকতে চান না। হলের রাজনীতি বা কমিটি সম্পর্কে তার আগ্রহ নেই বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তিনি আরও জানান, অতীতে হলে রাজনৈতিক আধিপত্য ছিল, যা শিক্ষার পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর।
ভবিষ্যতে যেন কোনো সংগঠন একইভাবে প্রভাব বিস্তার করতে না পারে, সে কারণেই তিনি নিজের পদ ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এর আগে, গত ৩ মে সুফিয়া কামাল হলে ছাত্রদলের ১১ সদস্যের একটি কমিটি ঘোষণা করা হলে সাধারণ ছাত্রীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়। তারা হলে সব ধরনের ছাত্ররাজনীতি বন্ধের দাবি তোলেন। পরবর্তীতে এই ইস্যুতে উত্তেজনা বাড়লে কলেজ প্রশাসন তিন শিক্ষার্থীর হলের আসন বাতিল করে। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ আরও বৃদ্ধি পায়।
পরিস্থিতি চরমে পৌঁছালে ৫ মে রাতে হলের শিক্ষার্থীরা তালা ভেঙে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। তারা হলে রাজনৈতিক কার্যক্রম বন্ধ রেখে নিরাপদ ও স্বাভাবিক শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিতের দাবি জানান। বর্তমানে এ ঘটনায় ক্যাম্পাসে উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং বিষয়টি নিয়ে শিক্ষার্থী ও প্রশাসনের মধ্যে আলোচনা চলছে।
_1.png)
বুধবার, ০৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ মে ২০২৬
রাজধানীর তিতুমীর কলেজ-এর ছাত্রীনিবাসে ছাত্ররাজনীতি ঘিরে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ভিন্ন অবস্থান নিয়েছেন এক শিক্ষার্থী নেত্রী। সুফিয়া কামাল হল শাখার ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক শিখা আক্তার জানিয়েছেন, তিনি আর কোনো রাজনৈতিক পরিচয়ে থাকতে চান না—বরং সাধারণ শিক্ষার্থী হিসেবেই থাকতে আগ্রহী।
সম্প্রতি কলেজ হলে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধের দাবিকে কেন্দ্র করে যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, তা নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই মন্তব্য করেন। শিখা আক্তার বলেন, তিনি আগে থেকেই সক্রিয় রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন না এবং বর্তমানেও কোনো রাজনৈতিক কার্যক্রমে থাকতে চান না। হলের রাজনীতি বা কমিটি সম্পর্কে তার আগ্রহ নেই বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তিনি আরও জানান, অতীতে হলে রাজনৈতিক আধিপত্য ছিল, যা শিক্ষার পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর।
ভবিষ্যতে যেন কোনো সংগঠন একইভাবে প্রভাব বিস্তার করতে না পারে, সে কারণেই তিনি নিজের পদ ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এর আগে, গত ৩ মে সুফিয়া কামাল হলে ছাত্রদলের ১১ সদস্যের একটি কমিটি ঘোষণা করা হলে সাধারণ ছাত্রীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়। তারা হলে সব ধরনের ছাত্ররাজনীতি বন্ধের দাবি তোলেন। পরবর্তীতে এই ইস্যুতে উত্তেজনা বাড়লে কলেজ প্রশাসন তিন শিক্ষার্থীর হলের আসন বাতিল করে। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ আরও বৃদ্ধি পায়।
পরিস্থিতি চরমে পৌঁছালে ৫ মে রাতে হলের শিক্ষার্থীরা তালা ভেঙে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। তারা হলে রাজনৈতিক কার্যক্রম বন্ধ রেখে নিরাপদ ও স্বাভাবিক শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিতের দাবি জানান। বর্তমানে এ ঘটনায় ক্যাম্পাসে উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং বিষয়টি নিয়ে শিক্ষার্থী ও প্রশাসনের মধ্যে আলোচনা চলছে।
_1.png)
আপনার মতামত লিখুন