অজুর পর মূত্র ফোঁটা বেরিয়েছে মনে হলে যা করবেন, জেনে নিন শরিয়তের স্পষ্ট নির্দেশনা!
অনেক মুসল্লিরই এক সাধারণ কিন্তু দুশ্চিন্তাজনক সমস্যা হলো— প্রস্রাব করার পর ভালোভাবে ঢিলা ব্যবহার করেও বারবার মনে হয়, যেন মূত্রফোঁটা বের হয়েছে! বিশেষ করে নামাজের সময় রুকু বা সিজদায় গেলে এই অনুভূতি আরও তীব্র হয়। তখন প্রশ্ন ওঠে— এই অবস্থায় নামাজ হবে কি না? নামাজ ভেঙে যাবে কি? আসুন জেনে নিই ইসলামি
শরিয়তের আলোকে এর সুস্পষ্ট সমাধান— ►►করণীয় কী?আপনি যদি উত্তমভাবে পবিত্রতা অর্জনের পরও বারবার এমন সন্দেহ অনুভব করেন, তবে শরিয়তের নির্দেশনা হলো: ওযু করার পর লজ্জাস্থানে কিছু পানি ছিটিয়ে দিন তারপর আর্দ্রতা অনুভব হলেও সেটাকে আপনার ছিটানো পানি মনে করবেন বারবার যাচাই করতে যাবেন না নামাজের সময় মূত্রফোঁটার সন্দেহে ভ্রুক্ষেপ করবেন না হাদিসের দলিল আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন: “যখন এক ব্যক্তি তার এই সমস্যার কথা জানাল, তিনি বললেন— ‘তুমি ওযু করার পর তোমার লজ্জাস্থানে পানি ছিটিয়ে নেবে। অতঃপর যদি আর্দ্রতা অনুভব হয়, তবে সেটাকে তোমার ছিটানো পানির আর্দ্রতা মনে করবে।’” এমন সমাবেশ ‘অবিশ্বাস্য’:হান্নান মাসউদ [মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক, হাদিস: ৫৮৩] তাহলে নামাজ ভাঙবে কি? না, শুধু সন্দেহ বা ওয়াসওয়াসা (অমূলক ধারণা) হলে নামাজ ভাঙবে না নিশ্চিতভাবে কিছু বের হওয়ার প্রমাণ না থাকলে ওযু ভঙ্গ হবে না ওয়াসওয়াসাকে গুরুত্ব না দিয়ে নামাজ চালিয়ে যান— এটাই শরিয়তের নির্দেশ প্রামাণ্য বইগুলো যেখান থেকে এই মাসআলা এসেছে:
মুসান্নাফে আব্দুর রাযযাক (৫৯৫) কিতাবুল আছল (১/৫৩) খুলাসাতুল ফাতাওয়া (১/১৮) আল-মুহিতুল বুরহানি (১/২১৮, ২৬৯) বাদায়িউস সানায়ি (১/১৪০) ফাতাওয়া হিন্দিয়া (১/৯) বিশেষ সতর্কতা: যেকোনো সন্দেহ বা ওয়াসওয়াসা শয়তানের পক্ষ থেকে হতে পারে। ইসলাম আমাদের শেখায়— অযথা সন্দেহে নামাজ বা ইবাদত নষ্ট না করে, বরং পরিষ্কার নিয়ম মেনে চলা উচিত।
শান্ত মন, পবিত্র দেহ আর দৃঢ় বিশ্বাস নিয়ে নামাজ আদায় করুন ইসলাম কখনো আপনাকে কষ্ট দিতে নয়, বরং স্বস্তি দিতেই নির্দেশনা দেয়।
_1.png)
শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুন ২০২৬
অজুর পর মূত্র ফোঁটা বেরিয়েছে মনে হলে যা করবেন, জেনে নিন শরিয়তের স্পষ্ট নির্দেশনা!
অনেক মুসল্লিরই এক সাধারণ কিন্তু দুশ্চিন্তাজনক সমস্যা হলো— প্রস্রাব করার পর ভালোভাবে ঢিলা ব্যবহার করেও বারবার মনে হয়, যেন মূত্রফোঁটা বের হয়েছে! বিশেষ করে নামাজের সময় রুকু বা সিজদায় গেলে এই অনুভূতি আরও তীব্র হয়। তখন প্রশ্ন ওঠে— এই অবস্থায় নামাজ হবে কি না? নামাজ ভেঙে যাবে কি? আসুন জেনে নিই ইসলামি
শরিয়তের আলোকে এর সুস্পষ্ট সমাধান— ►►করণীয় কী?আপনি যদি উত্তমভাবে পবিত্রতা অর্জনের পরও বারবার এমন সন্দেহ অনুভব করেন, তবে শরিয়তের নির্দেশনা হলো: ওযু করার পর লজ্জাস্থানে কিছু পানি ছিটিয়ে দিন তারপর আর্দ্রতা অনুভব হলেও সেটাকে আপনার ছিটানো পানি মনে করবেন বারবার যাচাই করতে যাবেন না নামাজের সময় মূত্রফোঁটার সন্দেহে ভ্রুক্ষেপ করবেন না হাদিসের দলিল আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন: “যখন এক ব্যক্তি তার এই সমস্যার কথা জানাল, তিনি বললেন— ‘তুমি ওযু করার পর তোমার লজ্জাস্থানে পানি ছিটিয়ে নেবে। অতঃপর যদি আর্দ্রতা অনুভব হয়, তবে সেটাকে তোমার ছিটানো পানির আর্দ্রতা মনে করবে।’” এমন সমাবেশ ‘অবিশ্বাস্য’:হান্নান মাসউদ [মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক, হাদিস: ৫৮৩] তাহলে নামাজ ভাঙবে কি? না, শুধু সন্দেহ বা ওয়াসওয়াসা (অমূলক ধারণা) হলে নামাজ ভাঙবে না নিশ্চিতভাবে কিছু বের হওয়ার প্রমাণ না থাকলে ওযু ভঙ্গ হবে না ওয়াসওয়াসাকে গুরুত্ব না দিয়ে নামাজ চালিয়ে যান— এটাই শরিয়তের নির্দেশ প্রামাণ্য বইগুলো যেখান থেকে এই মাসআলা এসেছে:
মুসান্নাফে আব্দুর রাযযাক (৫৯৫) কিতাবুল আছল (১/৫৩) খুলাসাতুল ফাতাওয়া (১/১৮) আল-মুহিতুল বুরহানি (১/২১৮, ২৬৯) বাদায়িউস সানায়ি (১/১৪০) ফাতাওয়া হিন্দিয়া (১/৯) বিশেষ সতর্কতা: যেকোনো সন্দেহ বা ওয়াসওয়াসা শয়তানের পক্ষ থেকে হতে পারে। ইসলাম আমাদের শেখায়— অযথা সন্দেহে নামাজ বা ইবাদত নষ্ট না করে, বরং পরিষ্কার নিয়ম মেনে চলা উচিত।
শান্ত মন, পবিত্র দেহ আর দৃঢ় বিশ্বাস নিয়ে নামাজ আদায় করুন ইসলাম কখনো আপনাকে কষ্ট দিতে নয়, বরং স্বস্তি দিতেই নির্দেশনা দেয়।
_1.png)
আপনার মতামত লিখুন