মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মোশারফ হোসেন (৭৮) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
গতকাল শনিবার (২০ জুন) রাত ১টা ২৫ মিনিটের সময় রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। আজ রবিবার বাদ আসর লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার আলেকজান্ডার পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নামাজে জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ৩ ছেলে ২ মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। দীর্ঘদিন ধরে নানা রোগে আক্রান্ত ছিলেন তিনি। জানা যায়, প্রবীণ রাজনীতিবিদ মোশারফ হোসেন মুক্তিযুদ্ধকালীন সময় জয় বাংলা বাহিনীর (বিএলএফ) নোয়াখালী ও হাতিয়া জোনাল কমান্ডার ছিলেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হলের ছাত্র সংসদের সাবেক ভিপি ছিলেন। ১৯৮৮ সালের চতুর্থ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সম্মিলিত বিরোধী দলের প্রার্থী হিসেবে তিনি লক্ষ্মীপুর-৪ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি-কমলনগর) আসন থেকে সংসদ সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।
বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা মোশারফ হোসেনের মৃত্যুতে গভীর শোক করেছেন লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি-কমলনগর) আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান, বিকল্পধারা বাংলাদেশের মহাসচিব ও সাবেক মন্ত্রী মেজর (অব:) আবদুল মান্নান, সাবেক এমপি আব্দুল্লাহ আল মামুন, কমলনগর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল বারাকাত দুলাল, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ, রামগতি উপজেলা বিএনপির সভাপতি ডা. জামাল উদ্দিন, কমলনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি নুরুল হুদা চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক এম দিদার হোসেন ও কমলনগর প্রেস ক্লাবের সভাপতি এম এ মজিদ, সাধারণ সম্পাদক মুছাকালিমুল্লাহ, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডি ও বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল বাসদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
_1.png)
রোববার, ২১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুন ২০২৬
মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মোশারফ হোসেন (৭৮) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
গতকাল শনিবার (২০ জুন) রাত ১টা ২৫ মিনিটের সময় রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। আজ রবিবার বাদ আসর লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার আলেকজান্ডার পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নামাজে জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ৩ ছেলে ২ মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। দীর্ঘদিন ধরে নানা রোগে আক্রান্ত ছিলেন তিনি। জানা যায়, প্রবীণ রাজনীতিবিদ মোশারফ হোসেন মুক্তিযুদ্ধকালীন সময় জয় বাংলা বাহিনীর (বিএলএফ) নোয়াখালী ও হাতিয়া জোনাল কমান্ডার ছিলেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হলের ছাত্র সংসদের সাবেক ভিপি ছিলেন। ১৯৮৮ সালের চতুর্থ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সম্মিলিত বিরোধী দলের প্রার্থী হিসেবে তিনি লক্ষ্মীপুর-৪ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি-কমলনগর) আসন থেকে সংসদ সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।
বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা মোশারফ হোসেনের মৃত্যুতে গভীর শোক করেছেন লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি-কমলনগর) আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান, বিকল্পধারা বাংলাদেশের মহাসচিব ও সাবেক মন্ত্রী মেজর (অব:) আবদুল মান্নান, সাবেক এমপি আব্দুল্লাহ আল মামুন, কমলনগর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল বারাকাত দুলাল, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ, রামগতি উপজেলা বিএনপির সভাপতি ডা. জামাল উদ্দিন, কমলনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি নুরুল হুদা চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক এম দিদার হোসেন ও কমলনগর প্রেস ক্লাবের সভাপতি এম এ মজিদ, সাধারণ সম্পাদক মুছাকালিমুল্লাহ, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডি ও বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল বাসদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
_1.png)
আপনার মতামত লিখুন