রাজধানীর আদাবরে ফুটবল বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে সাদ্দাম হোসেন ও মো. বাদশা মিয়া নামে বিএনপির ২ নেতাকে কুপিয়ে জখমের ঘটনা ঘটেছে।
বুধবার (১ জুলাই) রাতে সালিশ বৈঠক চলাকালে এ ঘটনা ঘটে। পরে রক্তাক্ত অবস্থায় দ্রুত তাদের শহিদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। এর মধ্যে গুরুতর আহত নবোদয় হাউজিং ইউনিট বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বাদশাহকে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।
আহত অপর বিএনপি নেতা সাদ্দাম হোসেন আদাবরের নবোদয় হাউজিং ইউনিট বিএনপির সভাপতি। তিনি এখন সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
জানা গেছে, ব্রাজিল ও জাপানের খেলা দেখা নিয়ে গত সোমবার (২৯ জুন) রাতে নবোদয় হাউজিংয়ে দুই পক্ষের মারামারি হয়। ওই ঘটনায় নবোদয় হাউজিং ইউনিট বিএনপির সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক বাদশা মিয়া একপক্ষ এবং একই এলাকার রিপন ও পারভেজ আরেকটি পক্ষ ছিল। এ নিয়ে বুধবার সন্ধ্যায় দুই পক্ষই মীমাংসার জন্য নবোদয় হাউজিংয়ে সালিশের জন্য বসে।
রাজধানীতে বিএনপির ২ নেতাকে কুপিয়ে জখম তবে বৈঠকে কোনো সমাধান না হওয়ায় রাত ৮টার দিকে বিএনপি নেতা সাদ্দাম ও বাদশা সেখান থেকে চলে যাচ্ছিলেন। ওই সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে তাদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করা হয়। তেজগাঁও জোনের এডিসি জুয়েল রানা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, পরশু দুই পক্ষ মারামারি করছে। আজ নিজেরাই সালিশে বসছিল। সালিশ মনমতো না হওয়ায় প্রতিপক্ষ কুপিয়েছে বলে জানা গেছে। ঘটনার তদন্ত চলছে।
_1.png)
শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুলাই ২০২৬
রাজধানীর আদাবরে ফুটবল বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে সাদ্দাম হোসেন ও মো. বাদশা মিয়া নামে বিএনপির ২ নেতাকে কুপিয়ে জখমের ঘটনা ঘটেছে।
বুধবার (১ জুলাই) রাতে সালিশ বৈঠক চলাকালে এ ঘটনা ঘটে। পরে রক্তাক্ত অবস্থায় দ্রুত তাদের শহিদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। এর মধ্যে গুরুতর আহত নবোদয় হাউজিং ইউনিট বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বাদশাহকে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।
আহত অপর বিএনপি নেতা সাদ্দাম হোসেন আদাবরের নবোদয় হাউজিং ইউনিট বিএনপির সভাপতি। তিনি এখন সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
জানা গেছে, ব্রাজিল ও জাপানের খেলা দেখা নিয়ে গত সোমবার (২৯ জুন) রাতে নবোদয় হাউজিংয়ে দুই পক্ষের মারামারি হয়। ওই ঘটনায় নবোদয় হাউজিং ইউনিট বিএনপির সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক বাদশা মিয়া একপক্ষ এবং একই এলাকার রিপন ও পারভেজ আরেকটি পক্ষ ছিল। এ নিয়ে বুধবার সন্ধ্যায় দুই পক্ষই মীমাংসার জন্য নবোদয় হাউজিংয়ে সালিশের জন্য বসে।
রাজধানীতে বিএনপির ২ নেতাকে কুপিয়ে জখম তবে বৈঠকে কোনো সমাধান না হওয়ায় রাত ৮টার দিকে বিএনপি নেতা সাদ্দাম ও বাদশা সেখান থেকে চলে যাচ্ছিলেন। ওই সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে তাদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করা হয়। তেজগাঁও জোনের এডিসি জুয়েল রানা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, পরশু দুই পক্ষ মারামারি করছে। আজ নিজেরাই সালিশে বসছিল। সালিশ মনমতো না হওয়ায় প্রতিপক্ষ কুপিয়েছে বলে জানা গেছে। ঘটনার তদন্ত চলছে।
_1.png)
আপনার মতামত লিখুন