রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা চলছে। একাধিক সূত্রের দাবি, স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে তিনি শুক্রবার (২৪ জুলাই) পদত্যাগ করতে পারেন। তবে এ বিষয়ে এখনো রাষ্ট্রপতি কার্যালয় বা সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি। বঙ্গভবনের একাধিক কর্মকর্তার বরাতে বিভিন্ন গণমাধ্যম জানিয়েছে, রাষ্ট্রপতি তার পদত্যাগপত্র জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে পাঠাতে পারেন।
অপর একটি সূত্রের দাবি, সরকারের পক্ষ থেকেও তাকে স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগের বিষয়ে অবহিত করা হয়েছে। এ বিষয়ে দেশের একটি জাতীয় দৈনিকের সঙ্গে আলাপকালে পদত্যাগের প্রশ্নে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, “দেখতে পাবেন... প্রশ্নটা বিব্রতকর।” সম্প্রতি বিদেশে চিকিৎসা নিতে গিয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তার ফোনে কথা হয়েছে—এমন গুঞ্জনও নাকচ করেছেন রাষ্ট্রপতি।
তিনি বলেন, “এটা পুরোপুরি ভিত্তিহীন। কারও যদি মাথা খারাপ হয়, সে এ ধরনের কথা বলতে পারে। আমি তখন মৃতপ্রায়, চিকিৎসাধীন ছিলাম। এটা একেবারে ভিত্তিহীন ও বানানো কথা।” এদিকে সংসদ সচিবালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, চিকিৎসার জন্য ব্যাংককে অবস্থানরত জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ নির্ধারিত সময়ের আগেই শুক্রবার দেশে ফিরছেন। যদিও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সফর সংক্ষিপ্ত করার কারণ জানানো হয়নি। বাংলাদেশের সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি স্বাক্ষরযুক্ত পত্রের মাধ্যমে স্পিকারের কাছে পদত্যাগ করতে পারেন।
আর সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে বা তিনি দায়িত্ব পালনে অক্ষম হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। এ ছাড়া সংবিধানের ১২৩(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদ সদস্যদের ভোটে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে।
_1.png)
শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুলাই ২০২৬
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা চলছে। একাধিক সূত্রের দাবি, স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে তিনি শুক্রবার (২৪ জুলাই) পদত্যাগ করতে পারেন। তবে এ বিষয়ে এখনো রাষ্ট্রপতি কার্যালয় বা সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি। বঙ্গভবনের একাধিক কর্মকর্তার বরাতে বিভিন্ন গণমাধ্যম জানিয়েছে, রাষ্ট্রপতি তার পদত্যাগপত্র জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে পাঠাতে পারেন।
অপর একটি সূত্রের দাবি, সরকারের পক্ষ থেকেও তাকে স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগের বিষয়ে অবহিত করা হয়েছে। এ বিষয়ে দেশের একটি জাতীয় দৈনিকের সঙ্গে আলাপকালে পদত্যাগের প্রশ্নে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, “দেখতে পাবেন... প্রশ্নটা বিব্রতকর।” সম্প্রতি বিদেশে চিকিৎসা নিতে গিয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তার ফোনে কথা হয়েছে—এমন গুঞ্জনও নাকচ করেছেন রাষ্ট্রপতি।
তিনি বলেন, “এটা পুরোপুরি ভিত্তিহীন। কারও যদি মাথা খারাপ হয়, সে এ ধরনের কথা বলতে পারে। আমি তখন মৃতপ্রায়, চিকিৎসাধীন ছিলাম। এটা একেবারে ভিত্তিহীন ও বানানো কথা।” এদিকে সংসদ সচিবালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, চিকিৎসার জন্য ব্যাংককে অবস্থানরত জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ নির্ধারিত সময়ের আগেই শুক্রবার দেশে ফিরছেন। যদিও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সফর সংক্ষিপ্ত করার কারণ জানানো হয়নি। বাংলাদেশের সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি স্বাক্ষরযুক্ত পত্রের মাধ্যমে স্পিকারের কাছে পদত্যাগ করতে পারেন।
আর সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে বা তিনি দায়িত্ব পালনে অক্ষম হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। এ ছাড়া সংবিধানের ১২৩(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদ সদস্যদের ভোটে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে।
_1.png)
আপনার মতামত লিখুন