দৈনিক প্রিয় টাইমস

কে হচ্ছেন বঙ্গভবনের পরবর্তী অভিভাবক ২৩তম রাষ্ট্রপতি? যানা গেলো।



কে হচ্ছেন বঙ্গভবনের পরবর্তী অভিভাবক ২৩তম রাষ্ট্রপতি? যানা গেলো।

বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন সবচেয়ে আলোচিত বিষয়—কে হচ্ছেন দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি। রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার পর বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, বিশ্লেষক এবং সংশ্লিষ্ট মহলে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিক্রিয়াও সামনে আসে। জামায়াতে ইসলামী এ ঘটনাকে দেরিতে হলেও ইতিবাচক পরিবর্তন হিসেবে উল্লেখ করেছে। অন্যদিকে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সাবেক রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।Time & Calendars বিএনপির নেতারা বলছেন, নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের মাধ্যমে একটি গ্রহণযোগ্য ও দায়িত্বশীল নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার সুযোগ তৈরি হয়েছে। ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে স্পিকার সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। সেই বিধান অনুযায়ী বর্তমানে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছেন।

• রাষ্ট্রপতি পদের জন্য মির্জা ফখরুলকেই প্রয়োজন: শফিকুল আলমExecutive Branch তবে এটি কেবল অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পরই তিনি দায়িত্ব হস্তান্তর করবেন।

 বিএনপির প্রার্থী নিয়েই সবচেয়ে বেশি আলোচনা জাতীয় সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থীই নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা। এ কারণে দলটির ভেতরে সম্ভাব্য প্রার্থী নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। দলীয় সূত্রের দাবি, রাষ্ট্রপতি পদে এমন একজনকে মনোনয়ন দেওয়ার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, যিনি রাজনৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য, অভিজ্ঞ, নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন এবং দলের প্রতি আস্থাশীল। যাদের নাম আলোচনায় বিএনপির অভ্যন্তর ও রাজনৈতিক মহলে কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতার নাম সম্ভাব্য রাষ্ট্রপতি হিসেবে আলোচনায় রয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

এছাড়া স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান এবং বেগম সেলিমা রহমানের নামও আলোচনায় এসেছে।Politics এ ছাড়া বর্তমান ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ও স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ এবং বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলতাফ হোসেন চৌধুরীর নামও সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় ঘুরছে। তবে বিএনপির একটি বড় অংশের মত, দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে দলের রাজনৈতিক নেতৃত্ব থেকেই কাউকে মনোনয়ন দেওয়া উচিত। ‘বিশ্বস্ত ও পরীক্ষিত নেতৃত্বই রাষ্ট্রপতি হওয়া উচিত’ বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেছেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভোটে অনুষ্ঠিত হবে। সংসদে বিএনপির সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় দলটির মনোনীত প্রার্থী নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

তার মতে, রাষ্ট্রপতি এমন একজন হওয়া উচিত, যিনি দীর্ঘদিন দলের সঙ্গে পরীক্ষিত, বিশ্বস্ত এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক আদর্শে বিশ্বাসী।Executive Branch তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক নেতৃত্ব থেকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলে রাষ্ট্র পরিচালনা ও রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়ে। একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ যেমন সাধারণ মানুষের সঙ্গে সহজে মিশতে পারেন, তেমনি রাষ্ট্রীয় দায়িত্বও দক্ষতার সঙ্গে পালন করতে সক্ষম হন। সিদ্ধান্ত নেবে দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, সংবিধান রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছে। রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে স্পিকার ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব পালন করবেন এবং পরে জাতীয় সংসদের মাধ্যমে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন। • দেরিতে হলেও স্বৈরাচারের কালো ছায়া সরে গেছে: বিরোধীদলীয় নেতা তিনি জানান, রাষ্ট্রপতি পদে কাকে মনোনয়ন দেওয়া হবে, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে বিএনপির নীতিনির্ধারণী ফোরাম।

দল যাকে মনোনয়ন দেবে, তিনিই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেবেন। এরপর নির্বাচন কমিশনের প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে জাতীয় সংসদে ভোটের মাধ্যমে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন।Executive Branch রাজনৈতিক সমীকরণও গুরুত্বপূর্ণ যদিও বিএনপির অধিকাংশ নেতা রাজনৈতিক নেতৃত্ব থেকেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের পক্ষে মত দিচ্ছেন, তবুও বর্তমান দেশীয় ও আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনায় দলীয় বলয়ের বাইরে থাকা কোনো গ্রহণযোগ্য অরাজনৈতিক ব্যক্তিকেও সম্পূর্ণভাবে উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না বলে সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা। বিশ্লেষকদের মতে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন শুধু সাংবিধানিক প্রক্রিয়াই নয়, এটি দেশের রাজনৈতিক ভারসাম্য ও কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

ফলে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বিএনপি সম্ভাব্য সব দিক বিবেচনা করবে। সব মিলিয়ে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন, সেই প্রশ্নের উত্তর এখনো স্পষ্ট নয়। তবে রাজনৈতিক অঙ্গনের দৃষ্টি এখন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন স্থায়ী কমিটির বৈঠকের দিকে। সেখান থেকেই আসতে পারে দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি পদে দলটির চূড়ান্ত মনোনয়নের ঘোষণা।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক প্রিয় টাইমস

রোববার, ২৬ জুলাই ২০২৬


কে হচ্ছেন বঙ্গভবনের পরবর্তী অভিভাবক ২৩তম রাষ্ট্রপতি? যানা গেলো।

প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুলাই ২০২৬

featured Image

বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন সবচেয়ে আলোচিত বিষয়—কে হচ্ছেন দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি। রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার পর বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, বিশ্লেষক এবং সংশ্লিষ্ট মহলে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিক্রিয়াও সামনে আসে। জামায়াতে ইসলামী এ ঘটনাকে দেরিতে হলেও ইতিবাচক পরিবর্তন হিসেবে উল্লেখ করেছে। অন্যদিকে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সাবেক রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।Time & Calendars বিএনপির নেতারা বলছেন, নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের মাধ্যমে একটি গ্রহণযোগ্য ও দায়িত্বশীল নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার সুযোগ তৈরি হয়েছে। ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে স্পিকার সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। সেই বিধান অনুযায়ী বর্তমানে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছেন।

• রাষ্ট্রপতি পদের জন্য মির্জা ফখরুলকেই প্রয়োজন: শফিকুল আলমExecutive Branch তবে এটি কেবল অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পরই তিনি দায়িত্ব হস্তান্তর করবেন।

 বিএনপির প্রার্থী নিয়েই সবচেয়ে বেশি আলোচনা জাতীয় সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থীই নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা। এ কারণে দলটির ভেতরে সম্ভাব্য প্রার্থী নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। দলীয় সূত্রের দাবি, রাষ্ট্রপতি পদে এমন একজনকে মনোনয়ন দেওয়ার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, যিনি রাজনৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য, অভিজ্ঞ, নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন এবং দলের প্রতি আস্থাশীল। যাদের নাম আলোচনায় বিএনপির অভ্যন্তর ও রাজনৈতিক মহলে কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতার নাম সম্ভাব্য রাষ্ট্রপতি হিসেবে আলোচনায় রয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

এছাড়া স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান এবং বেগম সেলিমা রহমানের নামও আলোচনায় এসেছে।Politics এ ছাড়া বর্তমান ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ও স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ এবং বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলতাফ হোসেন চৌধুরীর নামও সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় ঘুরছে। তবে বিএনপির একটি বড় অংশের মত, দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে দলের রাজনৈতিক নেতৃত্ব থেকেই কাউকে মনোনয়ন দেওয়া উচিত। ‘বিশ্বস্ত ও পরীক্ষিত নেতৃত্বই রাষ্ট্রপতি হওয়া উচিত’ বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেছেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভোটে অনুষ্ঠিত হবে। সংসদে বিএনপির সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় দলটির মনোনীত প্রার্থী নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

তার মতে, রাষ্ট্রপতি এমন একজন হওয়া উচিত, যিনি দীর্ঘদিন দলের সঙ্গে পরীক্ষিত, বিশ্বস্ত এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক আদর্শে বিশ্বাসী।Executive Branch তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক নেতৃত্ব থেকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলে রাষ্ট্র পরিচালনা ও রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়ে। একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ যেমন সাধারণ মানুষের সঙ্গে সহজে মিশতে পারেন, তেমনি রাষ্ট্রীয় দায়িত্বও দক্ষতার সঙ্গে পালন করতে সক্ষম হন। সিদ্ধান্ত নেবে দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, সংবিধান রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছে। রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে স্পিকার ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব পালন করবেন এবং পরে জাতীয় সংসদের মাধ্যমে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন। • দেরিতে হলেও স্বৈরাচারের কালো ছায়া সরে গেছে: বিরোধীদলীয় নেতা তিনি জানান, রাষ্ট্রপতি পদে কাকে মনোনয়ন দেওয়া হবে, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে বিএনপির নীতিনির্ধারণী ফোরাম।

দল যাকে মনোনয়ন দেবে, তিনিই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেবেন। এরপর নির্বাচন কমিশনের প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে জাতীয় সংসদে ভোটের মাধ্যমে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন।Executive Branch রাজনৈতিক সমীকরণও গুরুত্বপূর্ণ যদিও বিএনপির অধিকাংশ নেতা রাজনৈতিক নেতৃত্ব থেকেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের পক্ষে মত দিচ্ছেন, তবুও বর্তমান দেশীয় ও আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনায় দলীয় বলয়ের বাইরে থাকা কোনো গ্রহণযোগ্য অরাজনৈতিক ব্যক্তিকেও সম্পূর্ণভাবে উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না বলে সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা। বিশ্লেষকদের মতে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন শুধু সাংবিধানিক প্রক্রিয়াই নয়, এটি দেশের রাজনৈতিক ভারসাম্য ও কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

ফলে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বিএনপি সম্ভাব্য সব দিক বিবেচনা করবে। সব মিলিয়ে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন, সেই প্রশ্নের উত্তর এখনো স্পষ্ট নয়। তবে রাজনৈতিক অঙ্গনের দৃষ্টি এখন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন স্থায়ী কমিটির বৈঠকের দিকে। সেখান থেকেই আসতে পারে দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি পদে দলটির চূড়ান্ত মনোনয়নের ঘোষণা।


দৈনিক প্রিয় টাইমস

সম্পাদক : মোহাম্মাদ আবু বকর সিদ্দিক
নির্বাহী সম্পাদক : নূর হাসান আকাশ
বার্তা সম্পাদক : মেহেদী হাসান তালুকদার
প্রকাশক : মোহাম্মাদ আমিনুল ইসলাম
সম্পাদক : মোহাম্মাদ আবু বকর সিদ্দিক, নির্বাহী সম্পাদক : নূর হাসান আকাশ , বার্তা সম্পাদক : মেহেদী হাসান তালুকদার , প্রকাশক : মোহাম্মাদ আমিনুল ইসলাম .. বার্তা বাণিজ্য কার্যালয় : ২১৭ ফকিরাপুল প্রথম লেন,আরামবাগ,মতিঝিল । ঢাকা-১০০০। যোগাযোগ: +8801744552281 ইমেইল : newspriyotimes@gmail.com