সোশ্যাল মিডিয়ায় বৃহস্পতিবার একটি কথিত পদত্যাগপত্র দ্রুত ভাইরাল হয়ে পড়ে, যেখানে দাবি করা হয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিজের দায়িত্বের কথা উল্লেখ করে পদত্যাগ করেছেন। চিঠিতে প্রধানমন্ত্রীর স্বাক্ষর রয়েছে বলেও দাবি করা হয়। বহু ব্যবহারকারী সেটিকে সত্যি মনে করে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে শেয়ার করেন।
তবে সরকারি ফ্যাক্ট-চেকের পর স্পষ্ট হয়েছে, এই দাবির কোনও সত্যতা নেই। প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো (পিআইবি) নিজেদের এক্স হ্যান্ডেলে ভাইরাল হওয়া চিঠিটি শেয়ার করে জানায়, এটি সম্পূর্ণ ভুয়ো। পিআইবির বক্তব্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী এমন কোনও চিঠি লেখেননি এবং ওই স্বাক্ষরও আসল নয়। সংস্থার পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষকে সতর্ক করে বলা হয়েছে, কোনও ভাইরাল পোস্ট বা নথি বিশ্বাস করার আগে অবশ্যই নির্ভরযোগ্য সূত্রে তথ্য যাচাই করা উচিত।
পিআইবির দাবি, সাম্প্রতিক সময়ে প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে একাধিক ভুয়ো ভিডিও ও বিভ্রান্তিকর পোস্টও ছড়ানো হয়েছে। তাই সামাজিক মাধ্যমে কোনও তথ্য দেখেই তা সত্যি ধরে নেওয়া উচিত নয়। অন্যদিকে, নিট-বিরোধী আন্দোলনের সময় থেকেই ভুয়ো তথ্য ছড়ানোর অভিযোগ নিয়ে তদন্ত চলছে। দিল্লি পুলিশের দাবি, সেই সময় সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুল তথ্য ছড়াতে পাকিস্তান-ভিত্তিক একাধিক অ্যাকাউন্ট সক্রিয় ছিল।
তদন্তে আরও উঠে এসেছে, ওই অ্যাকাউন্টগুলির কিছু ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর সময়ও ভুয়ো খবর প্রচারে ব্যবহৃত হয়েছিল বলে অভিযোগ। পুলিশের মতে, এই ধরনের প্রচারের মূল উদ্দেশ্য সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করা এবং বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের প্রভাবিত করা। এই পরিস্থিতিতে দিল্লি পুলিশ ও পিআইবি উভয়েই নাগরিকদের সতর্ক থাকার আবেদন জানিয়েছে। বেনামি অ্যাকাউন্ট, সম্পাদিত ভিডিও বা যাচাইহীন পোস্ট থেকে দূরে থাকার এবং সরকারি বা নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে তথ্য মিলিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
**(দ্রষ্টব্য: সরকারি ফ্যাক্ট-চেক অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পদত্যাগপত্র সংক্রান্ত ভাইরাল পোস্টটি ভুয়ো। প্রতিবেদনের উদ্দেশ্য বিভ্রান্তিকর তথ্যের সত্যতা তুলে ধরা।)**
_1.png)
মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ জুলাই ২০২৬
সোশ্যাল মিডিয়ায় বৃহস্পতিবার একটি কথিত পদত্যাগপত্র দ্রুত ভাইরাল হয়ে পড়ে, যেখানে দাবি করা হয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিজের দায়িত্বের কথা উল্লেখ করে পদত্যাগ করেছেন। চিঠিতে প্রধানমন্ত্রীর স্বাক্ষর রয়েছে বলেও দাবি করা হয়। বহু ব্যবহারকারী সেটিকে সত্যি মনে করে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে শেয়ার করেন।
তবে সরকারি ফ্যাক্ট-চেকের পর স্পষ্ট হয়েছে, এই দাবির কোনও সত্যতা নেই। প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো (পিআইবি) নিজেদের এক্স হ্যান্ডেলে ভাইরাল হওয়া চিঠিটি শেয়ার করে জানায়, এটি সম্পূর্ণ ভুয়ো। পিআইবির বক্তব্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী এমন কোনও চিঠি লেখেননি এবং ওই স্বাক্ষরও আসল নয়। সংস্থার পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষকে সতর্ক করে বলা হয়েছে, কোনও ভাইরাল পোস্ট বা নথি বিশ্বাস করার আগে অবশ্যই নির্ভরযোগ্য সূত্রে তথ্য যাচাই করা উচিত।
পিআইবির দাবি, সাম্প্রতিক সময়ে প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে একাধিক ভুয়ো ভিডিও ও বিভ্রান্তিকর পোস্টও ছড়ানো হয়েছে। তাই সামাজিক মাধ্যমে কোনও তথ্য দেখেই তা সত্যি ধরে নেওয়া উচিত নয়। অন্যদিকে, নিট-বিরোধী আন্দোলনের সময় থেকেই ভুয়ো তথ্য ছড়ানোর অভিযোগ নিয়ে তদন্ত চলছে। দিল্লি পুলিশের দাবি, সেই সময় সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুল তথ্য ছড়াতে পাকিস্তান-ভিত্তিক একাধিক অ্যাকাউন্ট সক্রিয় ছিল।
তদন্তে আরও উঠে এসেছে, ওই অ্যাকাউন্টগুলির কিছু ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর সময়ও ভুয়ো খবর প্রচারে ব্যবহৃত হয়েছিল বলে অভিযোগ। পুলিশের মতে, এই ধরনের প্রচারের মূল উদ্দেশ্য সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করা এবং বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের প্রভাবিত করা। এই পরিস্থিতিতে দিল্লি পুলিশ ও পিআইবি উভয়েই নাগরিকদের সতর্ক থাকার আবেদন জানিয়েছে। বেনামি অ্যাকাউন্ট, সম্পাদিত ভিডিও বা যাচাইহীন পোস্ট থেকে দূরে থাকার এবং সরকারি বা নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে তথ্য মিলিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
**(দ্রষ্টব্য: সরকারি ফ্যাক্ট-চেক অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পদত্যাগপত্র সংক্রান্ত ভাইরাল পোস্টটি ভুয়ো। প্রতিবেদনের উদ্দেশ্য বিভ্রান্তিকর তথ্যের সত্যতা তুলে ধরা।)**
_1.png)
আপনার মতামত লিখুন