মাগুরায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক পুলিশ সদস্যকে প্রকাশ্যে থাপ্পড় দেওয়ার অভিযোগ ভায়না মাইক্রোবাস মালিক সমিতির সভাপতি ও সদর থানা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি নাঈমুজ্জামান নয়নকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (২৯) আগস্ট দুপুরে মাগুরা থানা পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে। জানা গেছে, গতকাল শুক্রবার বিকেলে মোটরসাইকেলের হর্ন বাজানোকে কেন্দ্র করে পুলিশ সদস্য মো. ইমরান হোসেনের সঙ্গে নাঈমুজ্জামান নয়নের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে নয়ন প্রকাশ্যে ইমরানকে থাপ্পড় দেন। এ সময় ঘটনাটি ভিডিও করা হয়। ইমরান হোসেন মাগুরা পুলিশ লাইন্সে কর্মরত।
থাপ্পড় দেওয়ার ভিডিওটি পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি পুলিশের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করে। এদিকে ঘটনার পর রাত ৮টার দিকে নাঈমুজ্জামান নয়নকে নিয়ে সদর থানায় যান পৌর বিএনপির সভাপতি মাসুদ হাসান খান কিজিলসহ দলটির নেতৃবৃন্দ। সেখানে ভুল বোঝাবুঝির কথা উল্লেখ করে নয়ন পুলিশ সদস্য ইমরান হোসেনের কাছে ক্ষমা চান। পরে বিষয়টি মীমাংসা করা হয়। তবে ঘটনার পরও পুলিশের মধ্যে ক্ষোভ ছিল বলে জানা গেছে।
গ্রেপ্তারের সত্যতা নিশ্চিত করে মাগুরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আল মামুন জানান, আমাদের থানা পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করেছে। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরবর্তী ব্যবস্থা হিসেবে তাকে আদালতে প্রেরণ করা হবে।
_1.png)
শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ আগস্ট ২০২৬
মাগুরায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক পুলিশ সদস্যকে প্রকাশ্যে থাপ্পড় দেওয়ার অভিযোগ ভায়না মাইক্রোবাস মালিক সমিতির সভাপতি ও সদর থানা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি নাঈমুজ্জামান নয়নকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (২৯) আগস্ট দুপুরে মাগুরা থানা পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে। জানা গেছে, গতকাল শুক্রবার বিকেলে মোটরসাইকেলের হর্ন বাজানোকে কেন্দ্র করে পুলিশ সদস্য মো. ইমরান হোসেনের সঙ্গে নাঈমুজ্জামান নয়নের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে নয়ন প্রকাশ্যে ইমরানকে থাপ্পড় দেন। এ সময় ঘটনাটি ভিডিও করা হয়। ইমরান হোসেন মাগুরা পুলিশ লাইন্সে কর্মরত।
থাপ্পড় দেওয়ার ভিডিওটি পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি পুলিশের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করে। এদিকে ঘটনার পর রাত ৮টার দিকে নাঈমুজ্জামান নয়নকে নিয়ে সদর থানায় যান পৌর বিএনপির সভাপতি মাসুদ হাসান খান কিজিলসহ দলটির নেতৃবৃন্দ। সেখানে ভুল বোঝাবুঝির কথা উল্লেখ করে নয়ন পুলিশ সদস্য ইমরান হোসেনের কাছে ক্ষমা চান। পরে বিষয়টি মীমাংসা করা হয়। তবে ঘটনার পরও পুলিশের মধ্যে ক্ষোভ ছিল বলে জানা গেছে।
গ্রেপ্তারের সত্যতা নিশ্চিত করে মাগুরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আল মামুন জানান, আমাদের থানা পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করেছে। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরবর্তী ব্যবস্থা হিসেবে তাকে আদালতে প্রেরণ করা হবে।
_1.png)
আপনার মতামত লিখুন