ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলেছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবার রাজনৈতিকভাবে চাপে পড়েছেন বলে জানা গেছে।
তাকে ক্ষমতা থেকে সরাতে একজোট হয়েছেন দুই সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেট ও ইয়াইর লাপিদ। তারা নিজেদের রাজনৈতিক দলগুলো একীভূত করে একটি নতুন নির্বাচনী জোট গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন। এই জোটের মূল লক্ষ্য হলো ২০২৬ সালের অক্টোবরের সাধারণ নির্বাচনে নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারকে পরাজিত করা।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেট জানিয়েছেন, নতুন এই রাজনৈতিক জোটের নাম হবে “টুগেদার” (একত্রে)। তিনি নিজেই এই জোটের নেতৃত্ব দেবেন বলে জানিয়েছেন। নেতানিয়াহুর দীর্ঘ শাসনকালের সমালোচনা করে বেনেট বলেন, ‘দীর্ঘ ৩০ বছর পর এখন সময় এসেছে নেতানিয়াহুর থেকে আলাদা হওয়ার।
ইসরাইলকে তার বর্তমান পথ পরিবর্তন করতে হবে’। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, গাজা যুদ্ধ ও অভ্যন্তরীণ বিচার বিভাগীয় সংস্কার নিয়ে এমনিতেই চাপে থাকা নেতানিয়াহুর জন্য বেনেট-লাপিদ জোট এক বিশাল চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।
এ নতুন জোট বিরোধী জনমতকে একীভূত করতে পারলে আগামী নির্বাচনে নেতানিয়াহুর বিদায় ঘণ্টা বেজে যেতে পারে।

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬
ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলেছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবার রাজনৈতিকভাবে চাপে পড়েছেন বলে জানা গেছে।
তাকে ক্ষমতা থেকে সরাতে একজোট হয়েছেন দুই সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেট ও ইয়াইর লাপিদ। তারা নিজেদের রাজনৈতিক দলগুলো একীভূত করে একটি নতুন নির্বাচনী জোট গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন। এই জোটের মূল লক্ষ্য হলো ২০২৬ সালের অক্টোবরের সাধারণ নির্বাচনে নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারকে পরাজিত করা।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেট জানিয়েছেন, নতুন এই রাজনৈতিক জোটের নাম হবে “টুগেদার” (একত্রে)। তিনি নিজেই এই জোটের নেতৃত্ব দেবেন বলে জানিয়েছেন। নেতানিয়াহুর দীর্ঘ শাসনকালের সমালোচনা করে বেনেট বলেন, ‘দীর্ঘ ৩০ বছর পর এখন সময় এসেছে নেতানিয়াহুর থেকে আলাদা হওয়ার।
ইসরাইলকে তার বর্তমান পথ পরিবর্তন করতে হবে’। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, গাজা যুদ্ধ ও অভ্যন্তরীণ বিচার বিভাগীয় সংস্কার নিয়ে এমনিতেই চাপে থাকা নেতানিয়াহুর জন্য বেনেট-লাপিদ জোট এক বিশাল চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।
এ নতুন জোট বিরোধী জনমতকে একীভূত করতে পারলে আগামী নির্বাচনে নেতানিয়াহুর বিদায় ঘণ্টা বেজে যেতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন