মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি বেঁচে আছেন এবং মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ক্রমবর্ধমানভাবে যুক্ত হচ্ছেন। যুদ্ধের শুরুতে আহত হওয়ার পর থেকে তাকে আর জনসমক্ষে দেখা যায়নি। মঙ্গলবার তিনি এসব কথা জানান। সিনেটের পররাষ্ট্র সম্পর্ক বিষয়ক কমিটির শুনানিতে আইনপ্রণেতাদের রুবিও বলেন, ‘আমরা তাকে জনসমক্ষে দেখিনি।
সেই ব্যবস্থায় একাধিক নেতার সঙ্গে যা ঘটেছে, তা বিবেচনা করলে জনসমক্ষে আসা সম্ভবত তাদের জন্য অভ্যন্তরীণভাবে সুপারিশযোগ্য নয়। এরপরও আমি মনে করি, তিনি ক্রমবর্ধমানভাবে যুক্ত হচ্ছেন, এমন ইঙ্গিত রয়েছে। যদিও তার সমস্ত যোগাযোগ লিখিত এবং মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে হয়েছে।’
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ইরানের অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া অত্যন্ত কেন্দ্রীভূত বলে মনে হচ্ছে। মধ্যস্থতাকারীদের কাছ থেকে পাওয়া বার্তাগুলো কোনো প্রতিক্রিয়া জানানোর আগে অনুমোদনের জন্য একটি গভর্নিং কাউন্সিলে পাঠানো হয়।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা যেভাবে বুঝতে পেরেছি এবং মধ্যস্থতাকারী ও ইরানের পক্ষ থেকে সরাসরি আমাদের যা জানানো হয়েছে, তাতে আব্বাস আরাঘচি এবং মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ আমাদের কাছ থেকে যা নেন বা দেন, তা অনুমোদনের জন্য ওই কাউন্সিলে নিয়ে যেতে হয়। সেখান থেকে নির্দেশনা পেতে এবং পুরো প্রক্রিয়ায় প্রতিক্রিয়া জানাতে প্রায়ই তিন থেকে ৫ দিন সময় লাগে।’
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও রুবিও ইরানের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার ওপর জোর দিলেও, মঙ্গলবার ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে যে দুই দেশের মধ্যে বার্তা বিনিময় অন্তত কয়েকদিন ধরে বন্ধ রয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া কয়েক মাসের সংঘাতের পর একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতিকে বৃহত্তর চুক্তিতে পরিণত করার জন্য ওয়াশিংটন ও তেহরানের অব্যাহত প্রচেষ্টার মধ্যেই রুবিওর এই মন্তব্য সামনে এলো। ইরানি কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ৩ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। অন্যদিকে, ইরানের প্রতিশোধমূলক হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ১৩ জন সেনা নিহত হয়েছে। এর আগে তেহরান উপসাগরীয় অঞ্চলে ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের লক্ষ্য করে হামলা চালানোর পাশাপাশি হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেয়।
পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় গত ৮ এপ্রিল একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়, তবে ইসলামাবাদে পরবর্তী আলোচনা একটি দীর্ঘস্থায়ী চুক্তি তৈরিতে ব্যর্থ হয়। যদিও সমাধানের প্রচেষ্টা এরপর থেকেও অব্যাহত রয়েছে।
_1.png)
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুন ২০২৬
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি বেঁচে আছেন এবং মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ক্রমবর্ধমানভাবে যুক্ত হচ্ছেন। যুদ্ধের শুরুতে আহত হওয়ার পর থেকে তাকে আর জনসমক্ষে দেখা যায়নি। মঙ্গলবার তিনি এসব কথা জানান। সিনেটের পররাষ্ট্র সম্পর্ক বিষয়ক কমিটির শুনানিতে আইনপ্রণেতাদের রুবিও বলেন, ‘আমরা তাকে জনসমক্ষে দেখিনি।
সেই ব্যবস্থায় একাধিক নেতার সঙ্গে যা ঘটেছে, তা বিবেচনা করলে জনসমক্ষে আসা সম্ভবত তাদের জন্য অভ্যন্তরীণভাবে সুপারিশযোগ্য নয়। এরপরও আমি মনে করি, তিনি ক্রমবর্ধমানভাবে যুক্ত হচ্ছেন, এমন ইঙ্গিত রয়েছে। যদিও তার সমস্ত যোগাযোগ লিখিত এবং মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে হয়েছে।’
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ইরানের অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া অত্যন্ত কেন্দ্রীভূত বলে মনে হচ্ছে। মধ্যস্থতাকারীদের কাছ থেকে পাওয়া বার্তাগুলো কোনো প্রতিক্রিয়া জানানোর আগে অনুমোদনের জন্য একটি গভর্নিং কাউন্সিলে পাঠানো হয়।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা যেভাবে বুঝতে পেরেছি এবং মধ্যস্থতাকারী ও ইরানের পক্ষ থেকে সরাসরি আমাদের যা জানানো হয়েছে, তাতে আব্বাস আরাঘচি এবং মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ আমাদের কাছ থেকে যা নেন বা দেন, তা অনুমোদনের জন্য ওই কাউন্সিলে নিয়ে যেতে হয়। সেখান থেকে নির্দেশনা পেতে এবং পুরো প্রক্রিয়ায় প্রতিক্রিয়া জানাতে প্রায়ই তিন থেকে ৫ দিন সময় লাগে।’
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও রুবিও ইরানের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার ওপর জোর দিলেও, মঙ্গলবার ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে যে দুই দেশের মধ্যে বার্তা বিনিময় অন্তত কয়েকদিন ধরে বন্ধ রয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া কয়েক মাসের সংঘাতের পর একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতিকে বৃহত্তর চুক্তিতে পরিণত করার জন্য ওয়াশিংটন ও তেহরানের অব্যাহত প্রচেষ্টার মধ্যেই রুবিওর এই মন্তব্য সামনে এলো। ইরানি কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ৩ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। অন্যদিকে, ইরানের প্রতিশোধমূলক হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ১৩ জন সেনা নিহত হয়েছে। এর আগে তেহরান উপসাগরীয় অঞ্চলে ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের লক্ষ্য করে হামলা চালানোর পাশাপাশি হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেয়।
পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় গত ৮ এপ্রিল একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়, তবে ইসলামাবাদে পরবর্তী আলোচনা একটি দীর্ঘস্থায়ী চুক্তি তৈরিতে ব্যর্থ হয়। যদিও সমাধানের প্রচেষ্টা এরপর থেকেও অব্যাহত রয়েছে।
_1.png)
আপনার মতামত লিখুন