আগামী অক্টোবর মাস থেকে দেশজুড়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে যাচ্ছে এবং আগামী বছরের (২০২৭ সাল) অক্টোবরের মধ্যে এই নির্বাচনী প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান এ তথ্য জানিয়েছেন। তথ্য উপদেষ্টা জানান, আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ইতিমধ্যে প্রয়োজনীয় রোডম্যাপ বা কর্মপরিকল্পনা তৈরির কাজ শুরু করে দিয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সরকারের অবস্থান তুলে ধরেন উপদেষ্টা। গত জুন মাসে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল আসার বিষয়ে জনগণের ভুক্তভোগী হওয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের বিষয়টি নিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। এই অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হবে এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং অনিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থাপনা রোধে সরকারের কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, "দেশে খাদ্য উৎপাদন ও সংরক্ষণ পর্যায়ে ক্ষতিকর রাসায়নিকের ব্যবহার আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি। এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দেশের সকল খাদ্য ব্যবসায়ীদের ডাটা বা তথ্য সংগ্রহ করে একটি কেন্দ্রীয় তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ব্যবসায়ীদের সচেতন করার পাশাপাশি অনিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থাপনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
সম্প্রতি সাভারে জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (এনডিপি)-এর জনসভায় ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা নিয়ে তিনি জানান, এই অনাকাঙ্ক্ষিত হামলার ঘটনাটি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। এর পেছনে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে। ব্রিফিংয়ের শেষ পর্যায়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে কটূক্তির বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, "ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে যেকোনো ধরনের নেতিবাচক বা অবমাননাকর মন্তব্য করা অত্যন্ত মর্মান্তিক ও দুঃখজনক।
তবে বর্তমান আইনি কাঠামো অনুযায়ী এটি সরাসরি অপরাধের (ক্রিমিনাল অফেন্স) পর্যায়ে পড়ে না। এই ধরনের মন্তব্যকে ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য করা যায় কি না, তা নিয়ে নীতিনির্ধারণী মহলে আলোচনা হতে পারে।"
_1.png)
বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুলাই ২০২৬
আগামী অক্টোবর মাস থেকে দেশজুড়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে যাচ্ছে এবং আগামী বছরের (২০২৭ সাল) অক্টোবরের মধ্যে এই নির্বাচনী প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান এ তথ্য জানিয়েছেন। তথ্য উপদেষ্টা জানান, আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ইতিমধ্যে প্রয়োজনীয় রোডম্যাপ বা কর্মপরিকল্পনা তৈরির কাজ শুরু করে দিয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সরকারের অবস্থান তুলে ধরেন উপদেষ্টা। গত জুন মাসে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল আসার বিষয়ে জনগণের ভুক্তভোগী হওয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের বিষয়টি নিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। এই অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হবে এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং অনিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থাপনা রোধে সরকারের কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, "দেশে খাদ্য উৎপাদন ও সংরক্ষণ পর্যায়ে ক্ষতিকর রাসায়নিকের ব্যবহার আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি। এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দেশের সকল খাদ্য ব্যবসায়ীদের ডাটা বা তথ্য সংগ্রহ করে একটি কেন্দ্রীয় তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ব্যবসায়ীদের সচেতন করার পাশাপাশি অনিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থাপনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
সম্প্রতি সাভারে জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (এনডিপি)-এর জনসভায় ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা নিয়ে তিনি জানান, এই অনাকাঙ্ক্ষিত হামলার ঘটনাটি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। এর পেছনে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে। ব্রিফিংয়ের শেষ পর্যায়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে কটূক্তির বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, "ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে যেকোনো ধরনের নেতিবাচক বা অবমাননাকর মন্তব্য করা অত্যন্ত মর্মান্তিক ও দুঃখজনক।
তবে বর্তমান আইনি কাঠামো অনুযায়ী এটি সরাসরি অপরাধের (ক্রিমিনাল অফেন্স) পর্যায়ে পড়ে না। এই ধরনের মন্তব্যকে ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য করা যায় কি না, তা নিয়ে নীতিনির্ধারণী মহলে আলোচনা হতে পারে।"
_1.png)
আপনার মতামত লিখুন