বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে মিশরের বিপক্ষে এক অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে আর্জেন্টিনা। ম্যাচের ৭৮ মিনিট পর্যন্ত ২-০ গোলে পিছিয়ে থাকা লিওনেল মেসির দল শেষ পর্যন্ত ৩-২ ব্যবধানে নাটকীয় জয় তুলে নিয়ে শিরোপা ধরে রাখার স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখে। শেষ আটে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের প্রতিপক্ষ সুইজারল্যান্ড। কলম্বিয়ার বিপক্ষে গোলশূন্য ড্রয়ের পর টাইব্রেকারে ৪-৩ ব্যবধানে জিতে ৭২ বছর পর বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে সুইসরা।
তবে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে নামার আগে ইতিহাস তাদের খুব একটা সাহস জোগাচ্ছে না। এখন পর্যন্ত দুই দল মুখোমুখি হয়েছে সাতবার। এর মধ্যে পাঁচটিতেই জয় পেয়েছে আর্জেন্টিনা, আর বাকি দুটি ম্যাচ ড্র হয়েছে। অর্থাৎ সুইজারল্যান্ড এখনো আলবিসেলেস্তাদের বিপক্ষে কোনো জয় পায়নি। বিশ্বকাপের মঞ্চেও আর্জেন্টিনার দাপট স্পষ্ট। ১৯৬৬ বিশ্বকাপে প্রথম দেখায় ২-০ গোলে জিতেছিল দক্ষিণ আমেরিকার দলটি। এরপর ২০১৪ ব্রাজিল বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতেও অতিরিক্ত সময়ে করা একমাত্র গোলে ১-০ ব্যবধানে জয় তুলে নেয় আর্জেন্টিনা। Ad দুই দলের ড্র হওয়া দুটি ম্যাচই ছিল প্রীতি ম্যাচে। ১৯৯০ ও ২০০৭ সালে। দুবারই ফল ছিল ১-১। অন্যদিকে ১৯৮০ সালে ৫-০, ১৯৮৪ সালে ২-০ এবং ২০১২ সালে ৩-১ ব্যবধানে জয় পেয়েছিল আর্জেন্টিনা। সব মিলিয়ে সাত ম্যাচে সুইজারল্যান্ডের জালে ১৫ গোল করেছে আর্জেন্টিনা, বিপরীতে সুইসদের গোল মাত্র ৪টি। পরিসংখ্যান তাই স্পষ্টভাবেই মেসিদের পক্ষেই কথা বলছে। তবে অতীতের রেকর্ডই যে বর্তমানের ফল নির্ধারণ করবে, এমন নিশ্চয়তা নেই।
এবারের বিশ্বকাপে নকআউট পর্বের দুই ম্যাচেই কঠিন লড়াই করে জিততে হয়েছে আর্জেন্টিনাকে। তাই সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে দুর্দান্ত মুখোমুখি রেকর্ড স্বস্তি দিলেও কোয়ার্টার ফাইনালের লড়াইয়ে কোনো ধরনের আত্মতুষ্টির সুযোগ নেই। ইতিহাস আর্জেন্টিনার পক্ষে থাকলেও মাঠের লড়াইয়েই নির্ধারিত হবে কে পাবে সেমিফাইনালের টিকিট।
_1.png)
বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুলাই ২০২৬
বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে মিশরের বিপক্ষে এক অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে আর্জেন্টিনা। ম্যাচের ৭৮ মিনিট পর্যন্ত ২-০ গোলে পিছিয়ে থাকা লিওনেল মেসির দল শেষ পর্যন্ত ৩-২ ব্যবধানে নাটকীয় জয় তুলে নিয়ে শিরোপা ধরে রাখার স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখে। শেষ আটে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের প্রতিপক্ষ সুইজারল্যান্ড। কলম্বিয়ার বিপক্ষে গোলশূন্য ড্রয়ের পর টাইব্রেকারে ৪-৩ ব্যবধানে জিতে ৭২ বছর পর বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে সুইসরা।
তবে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে নামার আগে ইতিহাস তাদের খুব একটা সাহস জোগাচ্ছে না। এখন পর্যন্ত দুই দল মুখোমুখি হয়েছে সাতবার। এর মধ্যে পাঁচটিতেই জয় পেয়েছে আর্জেন্টিনা, আর বাকি দুটি ম্যাচ ড্র হয়েছে। অর্থাৎ সুইজারল্যান্ড এখনো আলবিসেলেস্তাদের বিপক্ষে কোনো জয় পায়নি। বিশ্বকাপের মঞ্চেও আর্জেন্টিনার দাপট স্পষ্ট। ১৯৬৬ বিশ্বকাপে প্রথম দেখায় ২-০ গোলে জিতেছিল দক্ষিণ আমেরিকার দলটি। এরপর ২০১৪ ব্রাজিল বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতেও অতিরিক্ত সময়ে করা একমাত্র গোলে ১-০ ব্যবধানে জয় তুলে নেয় আর্জেন্টিনা। Ad দুই দলের ড্র হওয়া দুটি ম্যাচই ছিল প্রীতি ম্যাচে। ১৯৯০ ও ২০০৭ সালে। দুবারই ফল ছিল ১-১। অন্যদিকে ১৯৮০ সালে ৫-০, ১৯৮৪ সালে ২-০ এবং ২০১২ সালে ৩-১ ব্যবধানে জয় পেয়েছিল আর্জেন্টিনা। সব মিলিয়ে সাত ম্যাচে সুইজারল্যান্ডের জালে ১৫ গোল করেছে আর্জেন্টিনা, বিপরীতে সুইসদের গোল মাত্র ৪টি। পরিসংখ্যান তাই স্পষ্টভাবেই মেসিদের পক্ষেই কথা বলছে। তবে অতীতের রেকর্ডই যে বর্তমানের ফল নির্ধারণ করবে, এমন নিশ্চয়তা নেই।
এবারের বিশ্বকাপে নকআউট পর্বের দুই ম্যাচেই কঠিন লড়াই করে জিততে হয়েছে আর্জেন্টিনাকে। তাই সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে দুর্দান্ত মুখোমুখি রেকর্ড স্বস্তি দিলেও কোয়ার্টার ফাইনালের লড়াইয়ে কোনো ধরনের আত্মতুষ্টির সুযোগ নেই। ইতিহাস আর্জেন্টিনার পক্ষে থাকলেও মাঠের লড়াইয়েই নির্ধারিত হবে কে পাবে সেমিফাইনালের টিকিট।
_1.png)
আপনার মতামত লিখুন