বিশ্বকাপের শিরোপা জয়ের লড়াই যেমন উত্তেজনাপূর্ণ, তেমনি শেষ আটে এসে জমে উঠেছে গোল্ডেন বুটের প্রতিযোগিতাও।
কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠা চার তারকা স্ট্রাইকার আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি, ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে, নরওয়ের এরলিং হালান্ড এবং ইংল্যান্ডের হ্যারি কেন এখনও রয়েছেন সর্বোচ্চ গোলদাতার দৌড়ে। ব্যক্তিগত এই লড়াইয়ের সঙ্গে জড়িয়ে আছে নিজ নিজ দেশকে ১৯ জুলাইয়ের ফাইনালে পৌঁছে দেওয়ার স্বপ্নও।
এখন পর্যন্ত গোল্ডেন বুটের তালিকার শীর্ষে আছেন লিওনেল মেসি। মিসরের বিপক্ষে শেষ ষোলোর নাটকীয় ম্যাচে একটি গোল করে তিনি নিজের গোলসংখ্যা বাড়িয়ে আটে নিয়েছেন। তার ঠিক পেছনেই সাত গোল নিয়ে আছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে ও এরলিং হালান্ড। আর ছয় গোল নিয়ে খুব কাছেই রয়েছেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেন। ফলে কোয়ার্টার ফাইনালের একটি ম্যাচই বদলে দিতে পারে পুরো হিসাব। চারজনের গোল করার ধরনও আলাদা। মেসি আর্জেন্টিনার আক্রমণের মূল সৃজনশীল শক্তি, গোলের পাশাপাশি সতীর্থদের জন্য সুযোগও তৈরি করছেন।
এমবাপ্পে গতি ও ফিনিশিংয়ে ফ্রান্সের সবচেয়ে বড় অস্ত্র। বিশ্বকাপে অভিষেকেই হালান্ড নরওয়েকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন, আর বড় ম্যাচে গোল করার অভ্যাস তাকে প্রতিপক্ষের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকিতে পরিণত করেছে। অন্যদিকে হ্যারি কেন শুধু গোলদাতা নন, ইংল্যান্ডের আক্রমণ সাজানোর কাজেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। বিশ্বকাপের ইতিহাস বলছে, গোল্ডেন বুট জিততে সব সময় দুই অঙ্কের গোলের প্রয়োজন হয় না। ২০১৮ সালে হ্যারি কেন ছয় গোল করেই এই পুরস্কার জিতেছিলেন।
কিন্তু এবার প্রতিযোগিতা অনেক বেশি কঠিন। কোয়ার্টার ফাইনাল শুরুর আগেই একজনের আট এবং দুজনের সাত গোল হয়ে গেছে। ফলে ২০১৮ সালের সেই সংখ্যা এবার ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। গোল্ডেন বুট ব্যক্তিগত পুরস্কার হলেও ইতিহাস বলছে, এই সম্মান জয়ীরা প্রায়ই নিজেদের দলকে অনেক দূর নিয়ে গেছেন।
তাই মেসি, এমবাপ্পে, হালান্ড ও কেন চারজনের কাছেই ব্যক্তিগত অর্জনের চেয়ে বড় লক্ষ্য একটি নিজ নিজ দেশের হাতে বিশ্বকাপ ট্রফি তুলে দেওয়া। সেই লক্ষ্য পূরণ করতে পারলে গোল্ডেন বুটের লড়াইও ইতিহাসের অন্যতম স্মরণীয় অধ্যায় হয়ে থাকবে।
_1.png)
শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ জুলাই ২০২৬
বিশ্বকাপের শিরোপা জয়ের লড়াই যেমন উত্তেজনাপূর্ণ, তেমনি শেষ আটে এসে জমে উঠেছে গোল্ডেন বুটের প্রতিযোগিতাও।
কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠা চার তারকা স্ট্রাইকার আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি, ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে, নরওয়ের এরলিং হালান্ড এবং ইংল্যান্ডের হ্যারি কেন এখনও রয়েছেন সর্বোচ্চ গোলদাতার দৌড়ে। ব্যক্তিগত এই লড়াইয়ের সঙ্গে জড়িয়ে আছে নিজ নিজ দেশকে ১৯ জুলাইয়ের ফাইনালে পৌঁছে দেওয়ার স্বপ্নও।
এখন পর্যন্ত গোল্ডেন বুটের তালিকার শীর্ষে আছেন লিওনেল মেসি। মিসরের বিপক্ষে শেষ ষোলোর নাটকীয় ম্যাচে একটি গোল করে তিনি নিজের গোলসংখ্যা বাড়িয়ে আটে নিয়েছেন। তার ঠিক পেছনেই সাত গোল নিয়ে আছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে ও এরলিং হালান্ড। আর ছয় গোল নিয়ে খুব কাছেই রয়েছেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেন। ফলে কোয়ার্টার ফাইনালের একটি ম্যাচই বদলে দিতে পারে পুরো হিসাব। চারজনের গোল করার ধরনও আলাদা। মেসি আর্জেন্টিনার আক্রমণের মূল সৃজনশীল শক্তি, গোলের পাশাপাশি সতীর্থদের জন্য সুযোগও তৈরি করছেন।
এমবাপ্পে গতি ও ফিনিশিংয়ে ফ্রান্সের সবচেয়ে বড় অস্ত্র। বিশ্বকাপে অভিষেকেই হালান্ড নরওয়েকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন, আর বড় ম্যাচে গোল করার অভ্যাস তাকে প্রতিপক্ষের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকিতে পরিণত করেছে। অন্যদিকে হ্যারি কেন শুধু গোলদাতা নন, ইংল্যান্ডের আক্রমণ সাজানোর কাজেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। বিশ্বকাপের ইতিহাস বলছে, গোল্ডেন বুট জিততে সব সময় দুই অঙ্কের গোলের প্রয়োজন হয় না। ২০১৮ সালে হ্যারি কেন ছয় গোল করেই এই পুরস্কার জিতেছিলেন।
কিন্তু এবার প্রতিযোগিতা অনেক বেশি কঠিন। কোয়ার্টার ফাইনাল শুরুর আগেই একজনের আট এবং দুজনের সাত গোল হয়ে গেছে। ফলে ২০১৮ সালের সেই সংখ্যা এবার ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। গোল্ডেন বুট ব্যক্তিগত পুরস্কার হলেও ইতিহাস বলছে, এই সম্মান জয়ীরা প্রায়ই নিজেদের দলকে অনেক দূর নিয়ে গেছেন।
তাই মেসি, এমবাপ্পে, হালান্ড ও কেন চারজনের কাছেই ব্যক্তিগত অর্জনের চেয়ে বড় লক্ষ্য একটি নিজ নিজ দেশের হাতে বিশ্বকাপ ট্রফি তুলে দেওয়া। সেই লক্ষ্য পূরণ করতে পারলে গোল্ডেন বুটের লড়াইও ইতিহাসের অন্যতম স্মরণীয় অধ্যায় হয়ে থাকবে।
_1.png)
আপনার মতামত লিখুন