জাতীয় সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। বন্যা ও বৈরী আবহাওয়ায় এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা নেওয়ায় রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে বিক্ষোভের মধ্যেই এই বৈঠকের খবর এলো। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ বৈঠক বসেন তারা। গত কয়েক দিন ধরে চট্টগ্রাম বিভাগসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে। পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টিতে চট্টগ্রামে বিভাগে ৫৯ উপজেলায় ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে।
শুধু তাই নয়, বৃষ্টিতে রাজধানী ঢাকাসহ অনেক জেলাতেই জলবদ্ধতা হয়। এমন বৈরী আবহাওয়ায় শুধু মাত্র চট্টগ্রাম বোর্ডের পাঁচটি জেলায় পেছানো হয় এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। অন্যান্যা জেলায় হাঁটু থেকে কোমড় সমান পানিতে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের পরীক্ষা কেন্দ্রে যাওয়ার ছবি ও ভিডিও গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে প্রকাশ হয়। বিশেষ করে ১৩ জুলাই বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও নেওয়া হয় পরীক্ষা। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুরু হয় সমালোচনা। সরব হন শিক্ষার্থীরাও। এরই জের ধরে মঙ্গলবার রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে সড়ক অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীরা জানান, বন্যা এবং অতিবৃষ্টিতে জলবদ্ধতার মধ্যে অনেক পরীক্ষার্থী কেন্দ্রে পৌঁছাতে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। সোমবারের পরীক্ষা নিয়ে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এমন প্রতিকূল পরিস্থিতিতে পরীক্ষা স্থগিত না করে উল্টো কঠিন প্রশ্ন দিয়ে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে; পাশাপাশি শিক্ষামন্ত্রী নানা মন্তব্য করেন বলে প্রতিবাদ জানান আন্দোলনকারীরা।
এ সময় পরীক্ষা বাতিল করে পুনরায় গ্রহণ এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি জানান তারা। দাবি মেনে না নিলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন আন্দোলনকারীরা।
_1.png)
বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুলাই ২০২৬
জাতীয় সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। বন্যা ও বৈরী আবহাওয়ায় এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা নেওয়ায় রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে বিক্ষোভের মধ্যেই এই বৈঠকের খবর এলো। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ বৈঠক বসেন তারা। গত কয়েক দিন ধরে চট্টগ্রাম বিভাগসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে। পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টিতে চট্টগ্রামে বিভাগে ৫৯ উপজেলায় ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে।
শুধু তাই নয়, বৃষ্টিতে রাজধানী ঢাকাসহ অনেক জেলাতেই জলবদ্ধতা হয়। এমন বৈরী আবহাওয়ায় শুধু মাত্র চট্টগ্রাম বোর্ডের পাঁচটি জেলায় পেছানো হয় এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। অন্যান্যা জেলায় হাঁটু থেকে কোমড় সমান পানিতে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের পরীক্ষা কেন্দ্রে যাওয়ার ছবি ও ভিডিও গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে প্রকাশ হয়। বিশেষ করে ১৩ জুলাই বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও নেওয়া হয় পরীক্ষা। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুরু হয় সমালোচনা। সরব হন শিক্ষার্থীরাও। এরই জের ধরে মঙ্গলবার রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে সড়ক অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীরা জানান, বন্যা এবং অতিবৃষ্টিতে জলবদ্ধতার মধ্যে অনেক পরীক্ষার্থী কেন্দ্রে পৌঁছাতে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। সোমবারের পরীক্ষা নিয়ে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এমন প্রতিকূল পরিস্থিতিতে পরীক্ষা স্থগিত না করে উল্টো কঠিন প্রশ্ন দিয়ে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে; পাশাপাশি শিক্ষামন্ত্রী নানা মন্তব্য করেন বলে প্রতিবাদ জানান আন্দোলনকারীরা।
এ সময় পরীক্ষা বাতিল করে পুনরায় গ্রহণ এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি জানান তারা। দাবি মেনে না নিলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন আন্দোলনকারীরা।
_1.png)
আপনার মতামত লিখুন