ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী ও মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল। গত বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে চায় সরকার। তাকে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে ভারত সরকারকে তাগাদা দেয়া হচ্ছে।
এ বিষয়টি নিয়ে রণধীর জয়সওয়ালকে প্রশ্ন করেন এক ভারতীয় সাংবাদিক। জবাবে তিনি বলেন, ‘আমরা প্রত্যর্পণের একটি অনুরোধ পেয়েছি। আমরা আগেও বলেছি, এই অনুরোধের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’ অপর এক ভারতীয় সাংবাদিক দেশটিতে আটক শহিদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামির প্রত্যর্পণের বিষয়ে প্রশ্ন করেন।
তার উদ্দেশে রণধীর জয়সওয়াল বলেন, ‘এই প্রত্যর্পণের অনুরোধের বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই। তবে এটুকু বলতে পারি, যেকোনো প্রত্যর্পণের অনুরোধের আইনি ভিত্তি এবং বিচারিক প্রক্রিয়া বিবেচনায় নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।’ প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে দেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। এখনও দেশটিতে অবস্থান করছেন।
তার প্রত্যর্পণ নিয়ে ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার এবং পরে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জিতে ক্ষমতায় আসা বিএনপি সরকারও তাকে ফেরাতে ভারতের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। এদিকে চলতি বছরের মার্চে ভারতীয় পুলিশের হাতে আটক হন শহিদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ। তবে তাকে বাংলাদেশের কাছে প্রত্যর্পণের বিষয়ে এখনও স্পষ্টভাবে কিছু জানায়নি ভারত।
_1.png)
শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুলাই ২০২৬
ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী ও মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল। গত বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে চায় সরকার। তাকে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে ভারত সরকারকে তাগাদা দেয়া হচ্ছে।
এ বিষয়টি নিয়ে রণধীর জয়সওয়ালকে প্রশ্ন করেন এক ভারতীয় সাংবাদিক। জবাবে তিনি বলেন, ‘আমরা প্রত্যর্পণের একটি অনুরোধ পেয়েছি। আমরা আগেও বলেছি, এই অনুরোধের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’ অপর এক ভারতীয় সাংবাদিক দেশটিতে আটক শহিদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামির প্রত্যর্পণের বিষয়ে প্রশ্ন করেন।
তার উদ্দেশে রণধীর জয়সওয়াল বলেন, ‘এই প্রত্যর্পণের অনুরোধের বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই। তবে এটুকু বলতে পারি, যেকোনো প্রত্যর্পণের অনুরোধের আইনি ভিত্তি এবং বিচারিক প্রক্রিয়া বিবেচনায় নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।’ প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে দেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। এখনও দেশটিতে অবস্থান করছেন।
তার প্রত্যর্পণ নিয়ে ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার এবং পরে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জিতে ক্ষমতায় আসা বিএনপি সরকারও তাকে ফেরাতে ভারতের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। এদিকে চলতি বছরের মার্চে ভারতীয় পুলিশের হাতে আটক হন শহিদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ। তবে তাকে বাংলাদেশের কাছে প্রত্যর্পণের বিষয়ে এখনও স্পষ্টভাবে কিছু জানায়নি ভারত।
_1.png)
আপনার মতামত লিখুন